নিউজ পোল ব্যুরো: বর্তমান সময়ে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অনেকেই চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়। চিকিৎসকদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে গড়ে প্রায় ৫০-১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু যখন প্রতিদিন ১০০-২০০টির বেশি চুল পড়তে থাকে এবং নতুন চুল গজানো কমে যায়, তখন সেটি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যাকে অ্যালোপেশিয়া বলা হয়। তবে সব সময় ভয় পাওয়ার কিছু নেই-চুল পড়ার সঠিক কারণ জানা গেলে সমাধানও সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগ মহিলার ক্ষেত্রে মূলত তিনটি কারণে চুল পড়ে।
আরও পড়ুন: Health Tips: দুপুর হলেই কি দুচোখে ঘুম নামে? ডেস্কে বসেই ঘুম তাড়ানোর ৫টি জাদুকরী উপায় জেনে নিন
মানসিক চাপ
অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের মতো চুলের উপরও প্রভাব ফেলে। স্ট্রেস বেড়ে গেলে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়ে। এর ফলে রক্তনালীগুলি সংকুচিত হয়ে চুলের ফলিকলে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছায় না, আর তখনই চুল পড়তে শুরু করে। এই সমস্যা কমাতে প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ মিনিট ধ্যান, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা হাঁটাচলা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি খাবারের তালিকায় কাঠবাদাম, আখরোট, বেরি জাতীয় ফল ও পালংশাক রাখা উপকারী।

আয়রনের ঘাটতি
শরীরে আয়রনের অভাব হলে হিমোগ্লোবিন কমে যায়, ফলে কোষে অক্সিজেন সরবরাহ ঠিকমতো হয় না। এতে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে অতিরিক্ত চুল পড়তে পারে। বিশেষ করে ঋতুস্রাব, গর্ভাবস্থা বা ডায়েটের কারণে অনেক মহিলার আয়রনের ঘাটতি দেখা যায়। তাই খাদ্যতালিকায় পালংশাক, খেজুর, বিট, কিশমিশ এবং ভিটামিন সি-যুক্ত টক ফল রাখা জরুরি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
অনেক সময় সঠিক খাবার ও শরীরচর্চা সত্ত্বেও চুল পড়ার কারণ হতে পারে হরমোনের গোলমাল। বিশেষ করে ৩০ বছরের পরে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই ঋতুচক্র নিয়মিত হচ্ছে কি না, থাইরয়েডের সমস্যা আছে কি না-সেগুলি পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন।
