নিউজ পোল ব্যুরো: লাল গ্রহে কি সত্যিই লুকিয়ে আছে মূল্যবান রত্ন? নতুন করে সেই জল্পনাই উসকে দিয়েছে পার্সিভ্যান্স রোভারের (Perseverance Rover) সাম্প্রতিক আবিষ্কার। মঙ্গলের মাটিতে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে উজ্জ্বল আভাযুক্ত কিছু খনিজ কণার সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন গবেষণা (Perseverance Rover)। NASA-র এই অত্যাধুনিক রোভার বর্তমানে Mars-এর পৃষ্ঠে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করছে। গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ‘হ্যাম্পডেন রিভার’ নামের একটি পাথর বিশ্লেষণ করতে গিয়েই প্রথম কোরান্ডাম জাতীয় খনিজের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এই কোরান্ডামই (Corundum) পৃথিবীতে চুনি ও নীলা তৈরির মূল উপাদান হিসেবে পরিচিত, ফলে আবিষ্কারটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ (Perseverance Rover)।
আরও পড়ুন : CBSE Board Exam : মে মাসে CBSE দশমের দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষা! কারা দিতে পারবে জানাল বোর্ড
এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা নিয়েছে রোভারের অত্যাধুনিক সুপারকাম প্রযুক্তি (Perseverance Rover)। এই যন্ত্রে ব্যবহৃত লেজার পাথরের উপর আঘাত করে তার রাসায়নিক গঠন বিশ্লেষণ করতে পারে। সেই পরীক্ষার ফলাফল পৃথিবীর কোরান্ডামের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, মঙ্গলের মাটিতেও এই খনিজের অস্তিত্ব রয়েছে। পরবর্তীতে Jezero Crater-এর আশপাশে ‘কফি কোভ’ এবং ‘স্মিথস হারবার’ নামের আরও দুটি স্থানে একই ধরনের খনিজের সন্ধান মিলেছে। এই তথ্য সম্প্রতি Science Conference-এ প্রকাশ করা হয়েছে, যা বিজ্ঞানমহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে (Perseverance Rover)।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
তবে গবেষকরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মঙ্গলে কোরান্ডাম (Corundum) তৈরির প্রক্রিয়া পৃথিবীর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। পৃথিবীতে যেখানে টেকটোনিক প্লেটের চাপ ও তাপের ফলে এই খনিজ তৈরি হয়, সেখানে মঙ্গলে উল্কাপিণ্ডের আঘাত ও ধূলিকণার রূপান্তরের মাধ্যমে এমন খনিজের সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কণাগুলি অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় সেগুলি চুনি না নীলা—তা এখনই নির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়। তবুও এই আবিষ্কার মঙ্গলের ভূতত্ত্ব ও অতীত পরিবেশ সম্পর্কে নতুন দিশা দেখাতে পারে। ভবিষ্যতে আরও গভীর গবেষণার মাধ্যমে এই রহস্যের সমাধান হতে পারে বলেই আশাবাদী বিজ্ঞানীরা (Perseverance Rover)।
