নিউজ পোল ব্যুরো: চিংড়িঘাটা মেট্রো (Chingrighata Metro) প্রকল্প নিয়ে বড় নির্দেশিকা দিল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) রায়ে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। ফলে হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল থাকছে এবং সেই অনুযায়ী কাজ এগোতে হবে। এদিন শুনানিতে বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলীর বেঞ্চ রাজ্য সরকারের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের তরফে সাফ জানানো হয়, জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো প্রকল্পকে কেন্দ্র করে অযথা রাজনৈতিক টানাপোড়েন কাম্য নয়। হাইকোর্ট যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে, তা মেনেই দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে হবে (Supreme Court)।
উল্লেখযোগ্যভাবে, রাজ্য সরকার হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল। তবে শীর্ষ আদালত রাজ্যকে কার্যত পিছিয়ে আসার বার্তা দেয়। বলা হয়, স্বেচ্ছায় মামলা প্রত্যাহার না করলে আদালত নিজেই তা খারিজ করে দিতে পারে। এই পর্যবেক্ষণের পর প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা অনেকটাই কাটল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। চিংড়িঘাটা মেট্রো (Supreme Court)প্রকল্প মূলত কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই অংশ সম্পূর্ণ হলে কবি সুভাষ থেকে সেক্টর ফাইভ হয়ে বিশ্ব বাংলা পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা সম্প্রসারিত হবে (Supreme Court)। বর্তমানে এই রুট বেলেঘাটা পর্যন্ত চালু থাকলেও চিংড়িঘাটা অংশের কাজ আটকে থাকায় পুরো পরিষেবা শুরু করা সম্ভব হচ্ছিল না (Supreme Court)।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা ছিল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশের অনুমতি। চিংড়িঘাটার ব্যস্ত মোড়ে প্রায় ৩৬৬ মিটার অংশে কাজ করতে হলে সাময়িক ট্রাফিক ব্লক জরুরি (Chingrighata Metro)। সেই কারণে পুলিশের এনওসি না মেলায় বারবার পিছিয়ে যাচ্ছিল কাজের সূচি। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে জট অনেকটাই কেটেছে। প্রশাসনিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, প্রয়োজনীয় অনুমতি মিললেই কাজ শুরু করা হবে। এখন আদালতের স্পষ্ট অবস্থানের পর আশা করা হচ্ছে, খুব দ্রুত পুলিশের অনুমতি মিলবে এবং কাজ শুরু হবে। চিংড়িঘাটা মেট্রোর (Chingrighata Metro)কাজ সম্পূর্ণ হলে পূর্ব কলকাতার যাতায়াত ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে আইটি হাব সেক্টর ফাইভের সঙ্গে শহরের দক্ষিণ অংশের সংযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে, যা প্রতিদিনের যাত্রীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর।
