নিউজ পোল ব্যুরো:শুক্রবার বিকেলে জঙ্গিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের রঘুনাথগঞ্জের ম্যাকেঞ্জি পার্ক থেকে একটি রামনবমীর মিছিল (Jangipur Ram Navami violence) শুরু হয়েছিল। মিছিলটি যখন ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছায়, তখন আচমকাই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং উভয় পক্ষই একে অপরের দিকে ইটবৃষ্টি শুরু করে। লাঠি ও বাঁশ নিয়ে চলে হামলা-পালটা হামলা। ঘটনার ভয়াবহতা এতটাই বেশি ছিল যে, এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি বেশ কিছু জায়গায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন জখম হন, যাদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় ৪০ জনকে উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশি অভিযানে এখনও পর্যন্ত মোট ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে (Jangipur Ram Navami violence)। ধৃতদের তালিকায় রয়েছেন আরএসএস নেতা কিংশুক সরকার এবং হিন্দুত্ববাদী দলের নেতা বাবাই চক্রবর্তী। পুলিশি সূত্রের খবর অনুযায়ী, কিংশুক সরকারকে ঘটনার সময় এলাকায় ওয়াকিটকি হাতে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছিল এবং অভিযোগ উঠেছে যে তিনি এই হামলার নেতৃত্বে ছিলেন। ধৃতদের শনিবারই জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। নির্বাচনের মুখে এই ধরনের সাম্প্রদায়িক অশান্তিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে সরাসরি রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে এই ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
বর্তমানে জঙ্গিপুরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকাটি বেশ থমথমে রয়েছে। নতুন করে অশান্তি যাতে আর ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য পুরো এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি র্যাফ (RAF) এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জঙ্গিপুরে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে, যার ফলে এলাকায় পাঁচ জনের বেশি মানুষের জমায়েত হওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। শুধু জঙ্গিপুরেই নয়, সমগ্র মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়েই পুলিশকে কড়া সতর্কবার্তায় রাখা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর প্রতিক্ষণ নজরদারি চালানো হচ্ছে।শুক্রবার বিকেলে জঙ্গিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের রঘুনাথগঞ্জের ম্যাকেঞ্জি পার্ক থেকে একটি রামনবমীর মিছিল শুরু হয়েছিল। মিছিলটি যখন ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছায়, তখন আচমকাই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং উভয় পক্ষই একে অপরের দিকে ইটবৃষ্টি শুরু করে। লাঠি ও বাঁশ নিয়ে চলে হামলা-পালটা হামলা। ঘটনার ভয়াবহতা এতটাই বেশি ছিল যে, এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি বেশ কিছু জায়গায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন জখম হন, যাদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় ৪০ জনকে উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
