Abhishek Banerjee : দিল্লির ‘শাসন’ বনাম বাংলার আত্মমর্যাদা! ৪ মে ‘৪৪০ ভোল্টের ঝটকা’-র হুঁশিয়ারি অভিষেকের

কলকাতা রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: ব্রিটিশ আমলে যেমন দিল্লি (Delhi) থেকে বসে বাংলার শাসন চালানো হত, ঠিক তেমনই বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসকদের সঙ্গেও তুলনা টানলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। রবিবার মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমান জেলার একাধিক নির্বাচনী প্রচারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। তার বক্তব্যে স্পষ্ট, বাংলা নিজের সম্মান ও আত্মপরিচয় নিয়ে কখনও আপস করবে না।

আরও পড়ুন: Weather Update : রবিবার গরমের দাপটের মাঝেই ঝড়-শিলাবৃষ্টির সতর্কতা একাধিক জেলায়

অভিষেক তার বার্তায় (Abhishek Banerjee) বলেন, আগামী ৪ঠা মে রাজ্যের মানুষ এমন একটি ফলাফল দেবেন, যা হবে “৪৪০ ভোল্টের ঝটকা”-র মতো। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান যে, বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় শাসকদের উপযুক্ত জবাব দিতে প্রস্তুত। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ‘পরিযায়ী’ আখ্যা দিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের সময়েই শুধু দিল্লির নেতারা বাংলায় এসে রাজনৈতিক প্রচার চালান, কিন্তু সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে বছরের বাকি সময়ে তাদের কোনও আগ্রহ থাকে না। তিনি (Abhishek Banerjee) আরও বলেন, “দিল্লির জমিদারদের নির্দেশে বাংলা কোনওদিন চলবে না।” বাঙালির আত্মসম্মানবোধের উপর জোর দিয়ে অভিষেক দাবি করেন, এই রাজ্যের মানুষ কোনও স্বৈরাচারী শক্তির সামনে মাথা নত করে না। বরং প্রতিটি অপমানের জবাব গণতান্ত্রিক পথেই দেওয়া হবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

নির্বাচনী সভাগুলিতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির বকেয়া অর্থ নিয়ে অভিযোগও তোলেন তিনি। একশো দিনের কাজ, আবাস যোজনা সহ একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্র টাকা আটকে রেখেছে বলে তার দাবি। এর ফলে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন। যদিও বিজেপির তরফে পাল্টা যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা না দেওয়ার কারণেই এই অর্থ আটকে রয়েছে। অভিষেক তাঁর বক্তব্যে আরও কড়া সুরে বলেন, “বাংলার উপর যত শোষণ ও বঞ্চনা চালানো হয়েছে, তার প্রতিটি জবাব মানুষ দেবে।” এমনকি তিনি দাবি করেন, বাংলায় বিজেপির “গণতান্ত্রিক শবযাত্রা” ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। ব্রিটিশ আমলের কুখ্যাত শাসকদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যেন সেই ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চাইছে। তবে বাংলার মানুষ এবার সেই চেষ্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াবে বলেই তার দৃঢ় বিশ্বাস।