INTTUC leader Tapas Dasgupta:‘ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটা গেলে,ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হবে’ — এসআইআর আবহে বিস্ফোরক মন্তব্য আইএনটিটিইউসি নেতার!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:এসআইআর (SIR controversy)-আবহ ঘন হচ্ছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিসরে।একদিকে যেখানে বিরোধীরা অভিযোগ তুলছেন এসআইআর আসলে এনআরসি-র প্রথম ধাপ, সেখানে তৃণমূলের নেতাদের মুখে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্যে জোরদার হচ্ছে বিতর্ক।বামনগাছিতে আইএনটিটিইউসি সভাপতি তাপস দাশগুপ্ত-র (INTTUC leader Tapas Dasgupta) মন্তব্য ঘিরে এখন তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। একটি রক্তদান শিবিরে তিনি বলেন,-“ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটা গেলে, ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তাই এলাকার প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে মহিলাদের মধ্যে এই ভয়টা ঢুকিয়ে দিতে হবে। রান্নাঘরে গল্পের মধ্যেই ভোটার তালিকার প্রসঙ্গ তুলতে হবে। আর বিএলও-দেরও নজরে রাখতে হবে।”তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বিরোধী শিবিরে ক্ষোভের আগুন।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/11/02/bengal-model-global-recognition-type1-diabetes-mamata-banerjee/

প্রশ্ন উঠেছে—একজন শাসকদলের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি কীভাবে এমন নির্দেশ দিতে পারেন!এর আগেও এনআরসি ও ডিটেনশন ক্যাম্পের প্রসঙ্গ টেনে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতা। হরিণঘাটার পুরপ্রধান দেবাশিস বোস সম্প্রতি বলেন,-“যেখানে ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি হবে, সেখানেই আমরা ভেঙে চুরে দেব। মানুষকে ক্রীতদাসে পরিণত করার চেষ্টা চললে, তার বিরুদ্ধে প্রবল লড়াই করবে তৃণমূল কংগ্রেস।”এই সব বক্তব্যে আরও স্পষ্ট হচ্ছে—এসআইআর নিয়ে শাসকদল যে রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইছে, তা সরাসরি এনআরসি আতঙ্কের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, এসআইআর আতঙ্কে রাজ্যে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা ঘিরেও তোলপাড় চলছে।তৃণমূলের সরকারি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করা হয়েছে—এসআইআর (SIR controversy) আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছেন পানিহাটির প্রদীপ কর (৫৭)। তাঁর সুইসাইড নোটে এনআরসি-কে দায়ী করা হয়েছে। একইভাবে দিনহাটায় এক বৃদ্ধ আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন, পশ্চিম মেদিনীপুরের ক্ষিতীশ মজুমদার ও জামালপুরের পরিযায়ী শ্রমিক বিমল সাঁতরাও নাকি এসআইআর আতঙ্কে প্রাণ হারিয়েছেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

তৃণমূলের দাবি,-“এসআইআর হল ভয় দেখানোর অস্ত্র, যা সাধারণ মানুষকে নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহে ফেলে দিচ্ছে। বিজেপির ঘৃণার রাজনীতি মানুষকে হতাশায় ঠেলে দিচ্ছে।”এশিয়ার নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি তপ্ত, তখন এই ধরনের মন্তব্য আরও বিভাজন তৈরি করছে—এমনটাই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।এখন দেখার, আইএনটিটিইউসি নেতার এই মন্তব্যে কী পদক্ষেপ নেয় রাজ্যের শাসকদল।