নিউজ পোল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রের নাসিকে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের (TCS Controversy) বিপিও ইউনিটকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগে উত্তাল দেশজুড়ে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই আটজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এখনও পলাতক এক মহিলা কর্মীকে খুঁজছে তদন্তকারীরা, যাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক দানা বাঁধছে (TCS Controversy)। পুলিশ সূত্রে খবর , অভিযুক্ত ওই মহিলা বর্তমানে মুম্বইয়ে আত্মগোপন করে রয়েছেন। তার পরিবারের দাবি, তিনি গর্ভবতী। সেই কারণ দেখিয়ে নাসিকের একটি আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন তিনি (TCS Controversy)। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT)। তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মেডিক্যাল রিপোর্ট (Medical Report) যাচাই না করে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।
তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত ওই মহিলা ২০২১ সালে টিসিএসের নাসিক ইউনিটে যোগ দেন (TCS Controversy)। যদিও নিজেকে এইচআর ম্যানেজার বলে পরিচয় দিতেন, বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে তিনি আসলে একজন টেলিকলার ছিলেন। বাকি অভিযুক্তদের সঙ্গে তিনিও জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টায় জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, অফিসের একাধিক মহিলা কর্মী গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। এইচআর বিভাগে অভিযোগ জানালেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এক কর্মী অভিযোগ করেছেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। অন্য এক কর্মীর অভিযোগ, তাকে অশালীনভাবে স্পর্শ করা হয়েছে। এছাড়াও কর্মীদের ব্যক্তিগত জীবন, বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করা হত বলেও অভিযোগ (TCS Controversy)।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
ঘটনার জেরে আপাতত নাসিকের ওই ইউনিট বন্ধ রাখা হয়েছে। কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংস্থার তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কর্মক্ষেত্রে কোনও ধরনের হেনস্থার বিরুদ্ধে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে এবং কর্মীদের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্ত আরও গভীর হচ্ছে, আর দেশজুড়ে কর্পোরেট কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠছে (TCS Controversy)।
