নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোটাভুটির আগেই কার্যত আইনি রূপ পেল ২০২৩ সালের মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women Reservation Bill), যা ১৬ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপ (Women Reservation Bill) ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক, বিশেষ করে আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন নিয়ে শাসক ও বিরোধীদের মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, নির্বাচনের আবহে এত দ্রুত এই আইন কার্যকর করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তৃণমূল কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনের সময় কেন এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। তাদের দাবি, কেন্দ্র এই বিলকে ব্যবহার করে নিজেদের সুবিধামতো নির্বাচনী মানচিত্র বদলাতে চাইছে। পাশাপাশি বিরোধীদের আরও প্রশ্ন, নতুন জনগণনার (Women Reservation Bill) তথ্য না আসা পর্যন্ত কেন আসন পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে না।
আরও পড়ুন:Debasish Kumar: সাতসকালে ইডির হানা! তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও অফিসে ম্যারাথন তল্লাশি
কংগ্রেসের মতে, পূর্ণাঙ্গ জনগণনার আগে জাতিগত জনগণনা করা জরুরি। সমাজবাদী পার্টি আবার ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণের মধ্যেই ওবিসি ও সংখ্যালঘু নারীদের জন্য আলাদা কোটা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে। দক্ষিণ ভারতের দলগুলির আশঙ্কা, নতুন ডিলিমিটেশন হলে সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব কমে যেতে পারে।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার এই সমস্ত অভিযোগ খারিজ করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, আসন সংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে প্রতিটি রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব অনুপাত অনুযায়ী বৃদ্ধি পাবে এবং দক্ষিণের রাজ্যগুলিও এতে লাভবান হবে। তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান আইন মেনেই এই পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব তৈরি হয়েছে, ফলে কোনও পক্ষপাতের প্রশ্ন ওঠে না। কেন্দ্রের যুক্তি, বিরোধীরাই আগে দ্রুত এই বিল কার্যকর করার দাবি তুলেছিল। তবে বাস্তবে এই সংরক্ষণ ২০২৯ সালের আগে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আসন্ন নির্বাচনে পুরনো নিয়মই বজায় থাকবে বলে স্পষ্ট করেছে সরকার।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
