লোকসভায় তৃণমূলে বিস্ফোরণ! কাকলির বনাম কল্যাণ

breakingnews রাজনীতি রাজ্য

একসময়ের সহকর্মী, কিন্তু এখন একেবারে সাপে নেউলে সম্পর্ক। দুজন দুজনের নাম শুনলেই যেনও রে রে করে তেড়ে আসছেন। ছেড়ে কথা বলছেন না কেউ কাউকেই। ঘাসফুল শিবিরে এখন এমনই অবস্থা, একজন অসভ্য-অভদ্র বলে কটাক্ষ শানাচ্ছেন, তো অপরজন গালিগালাজের পাল্টা অভিযোগ তুলে ফাটাচ্ছেন গলা। ঠিক যেনও পরশুরামের ‘শিবু’ ও ‘নেত্যকালী’ ঝঞ্ঝাট।

রাজনৈতিক মহলে এখন একটাই জল্পনা কাকলি বনাম কল্যাণ! বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের বিস্ফোরক অভিযোগ ঘিরে এখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। দলেরই প্রবীণ সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নারীবিদ্বেষী আচরণের অভিযোগ তুলে সরাসরি লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন কাকলি ঘোষ দোস্তিদার। এমনকি ছেড়েছেন দলের সব পদও।

লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠিতে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন, ‘লোকসভার ভিতরে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে অপমান করেছেন, এই ধরনের নারীবিদ্বেষী আচরণ শুধু তাঁর বিরুদ্ধেই নয়, বহু মহিলা সাংসদের বিরুদ্ধেও হয়েছে। এর উপযুক্ত শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।’

যদিও এর পাল্টা জবাব দিয়ে ছাড়েননি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তার কথায়, ‘অভিযোগ থাকলে আগে কেন জানানি কাকলি? এতদিন পর হঠাৎ কেন অভিযোগ তুলছেন? এমনকি এই অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবি করেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও আরও একটি বিষয়ে নজর দিয়ে তিনি বলেন, আজ ছুটি, তারপরেও চিঠিতে কী ভাবে আজকের তারিখ অর্থাৎ ২৮ মে-র উল্লেখ থাকতে পারে? সে প্রশ্ন তুলে পুরো বিষয়টি মিথ্যা, শুধুই নিজের দর বাড়ানোর প্রয়াস বলে কাকলিকে কটাক্ষ শানান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।