Basirhat News : ইরানে যুদ্ধের দামামা! বসিরহাটের ৫ সদস্য আটকে, আতঙ্কে দিন কাটছে পরিবারের

breakingnews জেলা রাজ্য

পশুপতি দাস, বসিরহাট : উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার সাকচুড়া বাগুন্ডি গ্রাম পঞ্চায়েতের মাঠপাড়া এলাকার একটি পরিবার এখন চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে (Basirhat News)। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি (Iran Conflict) ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় ইরানে আটকে পড়েছেন পরিবারের পাঁচ সদস্য। তাদের নিরাপত্তা নিয়ে গ্রামে থাকা আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রায় আট বছর আগে বসিরহাটের বাসিন্দা ৩৪ বছরের আমির হোসেন গাজী উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে ইরানে যান। পরে তার সঙ্গে যোগ দেন স্ত্রী ২৮ বছরের ঊষা পারভীন এবং তাদের দুই পুত্র ও এক কন্যা। পড়াশোনার পাশাপাশি আমির সেখানে শিক্ষকতার কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ধীরে ধীরে ইরানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন তারা। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এখন বিপদের মুখে পড়েছে পুরো পরিবারটি (Basirhat News)।

আরও পড়ুন : Subhashree Ganguly : দুবাইয়ে বিস্ফোরণের আতঙ্কে আটকে শুভশ্রী-ইউভান, উৎকণ্ঠায় রাজ চক্রবর্তী পরিবার

বসিরহাটে আমিরের বাড়িতে রয়েছেন তার ষাটোর্ধ্ব মা ইয়ার বানু বিবি, দাদা সাইন গাজী, ভাই সাবির গাজী এবং অন্যান্য আত্মীয়স্বজন মিলিয়ে মোট ১৫ জন সদস্য (Basirhat News)। গত কয়েকদিন ধরে তারা চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। পরিবারের দাবি, প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে আমির শেষবার মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। তখন তিনি জানান, সেখানে পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক এবং ভয়ের মধ্যে দিন কাটছে। তিনি দেশে ফেরার চেষ্টা করছেন বলেও জানিয়েছিলেন। তারপর থেকে আর কোনও যোগাযোগ হয়নি। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ইরানে ইন্টারনেট পরিষেবা (Internet Shutdown Iran) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সংবাদমাধ্যমে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর (Missile Strike Iran) দেখে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

এদিকে ভারতীয় দূতাবাস (Indian Embassy Advisory Iran) ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং প্রয়োজনে দেশে ফেরার ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে। তবুও বসিরহাটের গাজী পরিবার দিন গুনছে—কবে নিরাপদে বাড়ি ফিরবেন আমির ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্য। বৃদ্ধা মা ইয়ার বানু বিবি চোখের জল ফেলতে ফেলতে একটাই প্রার্থনা করছেন, ছেলে যেন সুস্থভাবে ফিরে আসে নিজের বাড়িতে।