নিউজপোল ব্যুরো:কারও হাতে শরৎচন্দ্রের ‘পথের দাবি’, কারও হাতে বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’। কারও মুঠোয় রবীন্দ্রনাথ, কারও হাতে লালনের গান। বইয়ের পাতায় পাতায় যেন জমে থাকা প্রতিবাদ, আর সেই প্রতিবাদই শনিবার ছন্দ হয়ে ছড়িয়ে পড়ল কলেজ স্ট্রিটের রাজপথে।অজানাকে জানার অচেনাকে চেনার পথ হল বই
শনিবার কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে দৃশ্যটা ছিল একটু অন্যরকম। হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে মুখরিত বইপাড়া। ছোট্ট শিশু থেকে প্রবীণ, ছাত্রছাত্রী থেকে সংস্কৃতিপ্রেমী— সকলের হাতেই কোনও না কোনও বই। কারও চোখে প্রত্যয়ের ভাষা, কারও কণ্ঠে গানের সুর। অথচ চেনা রাজনৈতিক মিছিলের মতো উচ্চকিত স্লোগান কিংবা ব্যানারের আধিপত্য নেই। বরং নীরব অথচ দৃঢ় এক আহ্বান— ‘বইয়ের জন্য
পবিত্র সরকার, শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, জহর সরকার, অনিতা অগ্নিহোত্রী, সব্যসাচী চক্রবর্তীর মতো বিশিষ্টজনদের পাশাপাশি মিছিলে হাঁটেন বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তী, বিকাশ ভট্টাচার্যরাও।বিমান বসুর বার্তা, মানুষের বই পড়ার অধিকার কেড়ে নিতে চাইলে মানুষই রুখে দাঁড়াবে।
মিছিল নগরী সাক্ষী বহু মিছিলের।তবু কলেজ স্ট্রিটের পথ বলে গেল এক অন্য কবিতা— বইয়ের পাতা পোড়ে, কিন্তু জ্ঞান পোড়ে না। বইয়ের উপর আঘাত এলে, প্রতিবাদের কলম থামে না।
