Tangra Case: স্ত্রী-বৌদি-মেয়েকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার প্রসূন দে

breakingnews অপরাধ কলকাতা

নিউজ পোল বাংলাঃ আজই এনআরএস থেকে ছাড়া হয়েছিল ট্যাংরা কাণ্ডে(Tangra Case) অন্যতম অভিযুক্ত প্রসূন দে-কে। হাসপাতাল থেকে মুক্তির পরের জল্পনা চলছিল তার গ্রেফতারি নিয়ে। সেই জল্পনা সত্যি হল। এনআরএস থেকে ছাড়ার পর প্রসূন দে-কে নিয়ে যাওয়া হয় ট্যাংরা থানায়। তার পরেই সামনে এল গ্রেফতারির খবর। প্রসূন দে পরিবারের ছোট ছেলে।

পুলিশ সূত্রে খবর, আগামিকাল মঙ্গলবার অভিযুক্ত প্রসূন দে-কে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেবে। সূত্রের খবর এমনকি দুই ভাইকে সঙ্গে নিয়ে সেদিন ঠিক কি ঘটেছিল, কিভাবে তিন মহিলাকে খুন করা হয়েছে সেই ঘটনার পুননির্মাণও করতে চায়। প্রসূন ছাড়া পেলেও এখনও হাসপাতালে রয়েছেন তার দাদা প্রণয় দে ও ভাইপো প্রতীপ। সূত্রে জানা গিয়েছে পুলিশ দুই ভাইকে একসঙ্গে বসিয়ে জেরা করতে চায়।ইতিমধ্যেই হাসপাতালে প্রসূন, প্রণয়, প্রতীপের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। তাঁদের বয়ানে রয়েছে চমকে দেওয়া তথ্য। প্রণয় জানিয়েছেন তিনি যেহেতু নরম মনের মানুষ তাই তিনি তাঁর ভাই প্রসূনকে বাড়ির সদস্যদের হত্যার (Tangra Case) নির্দেশ দিয়েছিলেন। এমনকি বৃহস্পতিবার রাজ্য শিশু কমিশনের দুই সদস্যের সামনে চাঞ্চল্যকর বয়ান দিয়েছে প্রতীপ। সে জানিয়েছে, “যোগা এবং জিম করার ফলে পায়েসে মেশানো ঘুমের ওষুধ খেয়ে কিছুই হয়নি আমার। মরার ভান করে শ্বাস আটকে মৃতের অভিনয় করেছি। এরপর কাকা বালিশ চাপা দিয়ে আমাকে শ্বাসরোধ করে খুন করার চেষ্টা করে। আমি বেশ কিছুক্ষণ শ্বাস আটকে রেখেছিলাম। এরপর কাকা এবং বাবা ছাদে আত্মহত্যা করতে চলে যায়। আমি দোতলায় উঠে দেখি মা কাকিমা এবং বোন মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। মা কাকিমা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তাদের খুন করা হয়।” নাবালক পরিবারের দেনার প্রসঙ্গও। তাঁর কথায়, “বাবা ঘটনার দুইদিন আগে বলেছিল, এবার পাওনাদাররা ধাওয়া করবে। মৃত্যু ছাড়া আর কোনো উপায় নেই বলেছিল বাবা-কাকা। আমাকে সেদিন আলোচনার সময় ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। আমি সেদিন ঘরে থাকলে অন্য কোনো রোজগারের উপায় নিয়ে পরামর্শ দিতে পারতাম।”

আরও পড়ুনঃ Tangra Case: স্ত্রী-বৌদি-মেয়েকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার প্রসূন দে

প্রসঙ্গত, ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্যাংরার অটল শূর লেনে দে পরিবারের তিন মহিলা সদস্যের দেহ উদ্ধার (Tangra Case) হয়। তার আগে ওই দিনেই দুই ভাই প্রসূন দে ও প্রণয় দে এবং নাবালক সন্তানের ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত তিন জনকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকেই প্রকাশ্যে আসে খুনের কথা। ঘটনার পরেই প্রসূনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। এমনকি প্রসূনের শ্বশুরমশাইও একটি অভিযোগ দায়ের করে। সেই ঘটনার পর আজ সোমবার লালবাজারের তরফে অফিশিয়ালি গ্রেফতারির বিষয় জানানো হল।

নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/