Arrest সোশ্যাল মিডিয়ায় চলত মগজ ধলাই, গুজরাট ATS-এর হাতে গ্রেফতার আল কায়দার মহিলা জঙ্গি

breakingnews অপরাধ দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করতে চলছে অভিযান। পহেলগাঁওতে হামলার পর দেশ থেকে একের পর এক পাক গুপ্তচর গ্রেফতার হওয়ার পর অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। এবার আল কায়দার (Al Qaeda ) সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে বেঙ্গালুরু থেকে ৩০ বছর বয়সী এক মহিলাকে গ্রেফতার (Arrest ) করা হয়েছে। গুজরাট অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াডের হাতে ধরা পড়েছে অভিযুক্ত।

এক মহিলাই ভারতে ছড়িয়ে দিচ্ছিল আল কায়দার জাল। গুজরাট সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের হাতে গ্রেফতার সামা পারভীন ভারতে শাখা বিস্তার করা আল-কায়েদা জঙ্গি মডিউলের একজন মাস্টারমাইন্ড। আল-কায়দা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের সঙ্গে যুক্ত চার জঙ্গিকে গ্রেফতারের কয়েকদিন পর পারভীনেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়ার খবর জানিয়েছেন গুজরাটের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হর্ষ রমেশভাই সাংভি। সামার মোবাইল থেকে একাধিক পাক আধিকারিকের নম্বর মিলেছে। জানা গিয়েছে সামা পাকিস্তানিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সামা ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। গত ৩ বছর ধরে বাড়িভাড়া নিয়ে বেঙ্গালুরুতে ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন । অভিযুক্ত মহিলা মৌলবাদী ও অনলাইনে একাধিক সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন।

আরও পড়ুন : বুধেই মহাকাশে ভারতের ‘NISAR’, বিশ্বকে দেখাবে জলবায়ুর রূপ-রহস্য

১০ জুন, গুজরাট সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (ATS) এর ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ হর্ষ উপাধ্যায় গোয়েন্দাদের থেকে তথ্য পান যে, বেশ কয়কটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট দেশবিরোধী এবং উস্কানিমূলক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টগুলি থেকে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (AQIS) এর সন্ত্রাসবাদী বিষয়বস্তু, ভিডিও এবং মতাদর্শ শেয়ার করা হচ্ছিল। অভিযোগ দেশের মুসলিম যুবকদের উসকানি দেওয়া এবং ভারত সরকারের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রচার করাই ছিল প্রধান উদ্দেশ্যে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলি চালনার পিছনের কোন মাথা রয়েছে তা খুঁজে বের করার জন্য ATS পুলিশ সুপার কে সিদ্ধার্থের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করে। দলটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টগুলির চারজন অপারেটর ফারদিন শেখ, সাইফুল্লাহ কুরেশি, মহম্মদ ফয়ক এবং জিশান আলীকে চিহ্নিত করে এবং ২১ এবং ২২ জুলাই তাদের গ্রেফতার (Arrest) করে। চারজনের মোবাইল এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ধর্মীয় সহিংসতা এবং সন্ত্রাসী হামলাকে উৎসাহিত করে উস্কানিমূলক ভিডিও, বিষয়বস্তু, বার্তা এবং শরিয়া আইনের সমর্থনে পোস্ট পাওয়া গিয়েছে। চারজনের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন, 1967 (UAPA) এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। চার অভিযুক্ত বর্তমানে পুলিশ রিমান্ডে রয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে জানা যায় দেশের একাধিক জায়গায় হামলার পরিকল্পনা ছিল তাদের তখন থেকেই খোঁজ চলছিল মাস্টারমাইন্ডের।