নিউজ পোল ব্যুরো: আবারও কি তাহলে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে বাধতে চলেছে নতুন সংঘাত? পাক সেনা প্রধান আসিম মুনিরের আমেরিকার মাটি থেকে ভারতকে পরমাণু হামলার হুমকি দেওয়ার পর থেকেই বাড়ছে উত্তাপ। মুনিরের পারমাণবিক হামলার হুমকির যোগ্য জবাব দিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারতের জবাব পেয়ে এবার ফুঁসে উঠলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Pak Defence Minister) খাজা আসিফ(khawaja asif)। দিলেন যুদ্ধের হুঁশিয়ারি। এরপর ভারত যদি পাকিস্তানের উপর হামলা করে তাহলে ইসলামাবাদ চুপ করে বসে থাকবে না বলেই জানিয়েছেন।
মুনিরের মন্তব্যকে “ভয়াবহ” এবং “দায়িত্বজ্ঞানহীন” বলে উল্লেখ করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক একটি বিবৃতি দেওয়ার পরেই মুখ খুলেছেন খাজা আসিফ। পাকিস্তানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, “ফিল্ড মার্শালের মন্তব্যে পরমাণু বোমা ব্যবহার নিয়ে কিছু ছিল না। ভারত মিথ্যা বলছে। ভারতের উচিত আরও একবার আমাদের সঙ্গে লড়াই করে দেখুক। ওরা এরপর যদি কিছু করে তাহলে যুদ্ধ আর সীমান্তে সীমিত থাকবে না। তা ভারতের ভিতরে ঢুকে যাবে।” এমনকি তিনি এটাও বলেছেন, পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের পারমাণবিক হুমকি সম্পর্কে নয়াদিল্লির দাবি ভিত্তিহীন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপের প্রতিফলন।
খাজা আসিফের কথায়, “এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বিষয়, তারা মুনিরের মন্তব্যকে ইস্যু করার চেষ্টা করছে। এই বিষয়গুলি একটি জিনিস প্রতিফলিত করে যে অভ্যন্তরীণভাবে, মোদী বিধ্বস্ত, তাদের কোনও খ্যাতি অবশিষ্ট নেই।” ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেছেন,”মোদী তাঁর জেনারেলদের কাছে কাকুতি করছেন যাতে তাঁর সম্মান রক্ষা করা হয়। আমি বা আপনি মোদীকে তত অপমান করছি না, যতটা ভারতের সংসদ তাঁকে করছে। ভারতের সংসদে এখন কেউ মোদীর পক্ষে কথা বলছে না।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
আসিফ বলেন, মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সামরিক অচলাবস্থার পর এবং রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার সাথে যুক্ত মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির পর মোদী তীব্র চাপের মধ্যে ছিলেন। মুনিরের মন্তব্যের ভারত জবাব দেওয়ার পর সোমবারের এক সাক্ষাৎকারে আসিফ সতর্ক করে বলেছেন, “মোদী এমন কিছু করতে পারেন যা যুদ্ধের সমান হতে পারে, এই অঞ্চলে মরিয়া কিছু হতে পারে।” প্রসঙ্গত, মুনিরের ভারতকে দেওয়া পরমাণু হুমকির পর ভারতের বিদেশ মন্তকতাদের বিবৃতিতে “পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার” কে পাকিস্তানের “স্টক-ইন-ট্রেড” হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং বলেছে যে “এটি দুঃখজনক যে, তৃতীয় বন্ধুত্বপূর্ণ দেশে থাকাকালীন এই মন্তব্য করা হয়েছে।”
