নিউজ পোল ব্যুরো: স্বাধীনতা দিবসে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লালকেল্লায় বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভেঙেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর রেকর্ড। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার লাল কেল্লা থেকে তাঁর দীর্ঘতম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিয়েছেন।
সুক্রবার ৭৯ তম স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১০৩ মিনিট ধরে চিত্তাকর্ষক ভাষণ দিয়েছেন।
নমো জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর সকাল ৭.৩৩ মিনিটে তাঁর ভাষণ শুরু করেন এবং ৯.১৬ মিনিটে শেষ করেন। এই ভাষণ দেওয়ার সময় ২০২৪ সালে তার ৯৮ মিনিটের পূর্ববর্তী রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদী লাল কেল্লা থেকে টানা ১২টি স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন। জওহরলাল নেহেরুর পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদী দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লালকেল্লা থেকে জওহরলাল নেহেরু টানা ১৭ বার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৫ সালে ৮৮ মিনিটের ভাষণ দিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর রেকর্ড ভেঙেছিলেন। নেহেরু ৭২ মিনিট ভাষণ দিয়েছিলেন ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা দিবসে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর স্বাধীনতা দিবসের ভাষণগুলি সাধারণত তার পূর্বসূরীদের তুলনায় দীর্ঘ ছিল।
২০২৩ সালে, মোদী তার টানা দশম দফায় স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিয়েছিলেন, প্রায় ৯০ মিনিট ধরে। ২০১৬ সালে লাল কেল্লা থেকে তাঁর ভাষণ ৯৬ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল, এরপর ২০১৯ সালে ৯২ মিনিটের ভাষণ দিয়েছিলেন। মোদী ২০১৪ সালে তার প্রথম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দেন, যা ৬৫ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল। ২০১৭ সালে তার সবচেয়ে ছোট স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ ছিল মাত্র ৫৬ মিনিটে। নেহেরু এবং ইন্দিরা গান্ধী ১৯৫৪ এবং ১৯৬৬ সালে মাত্র ১৪ মিনিটে স্বাধীনতা দিবসের সবচেয়ে ছোট ভাষণের দেন। অন্যদিকে মনমোহন সিং ২০১২ এবং ২০১৩ সালে ৩২ এবং ৩৫ মিনিটের ভাষণ দিয়েছিলেন, যেখানে অটল বিহারী বাজপেয়ীর ২০০২ এবং ২০০৩ সালে আরও সংক্ষিপ্ত ভাষণ ছিল মাত্র ২৫ এবং ৩০ মিনিট।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
প্রসঙ্গত, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই ১০৩ মিনিটের ভাষণে বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। সরকারের সাফল্যের একটি বিস্তৃত বিবরণ উপস্থাপন করেন এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি নতুন ভারত এবং একটি বিকশিত ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতের জন্য একটি রোডম্যাপ রূপরেখা তৈরি করে দিয়েছেন।
