নিউজ পোল ব্যুরো: ভারতীয় বায়ুসেনা আবারও ইজরায়েলি তৈরি র্যাম্পেজ মিসাইলের(Rampage Missile) অর্ডার দিতে চলেছে। প্রথমে শুনলে এটি শুধুমাত্র অস্ত্র কেনার খবর মনে হলেও, আসলে এর পিছনে রয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা কৌশলের বড় রূপান্তর।র্যাম্পেজ(Rampage) এমন এক ধরনের এয়ার-টু-গ্রাউন্ড মিসাইল(Missile), যা শত্রুপক্ষের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের নাগালের বাইরে থেকেও সঠিকভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। অর্থাৎ, যুদ্ধবিমানকে বিপদের মুখে না ফেলে ভেতরে ঢুকে আঘাত করার ক্ষমতা দেয় এই মিসাইল(Missile)। পাকিস্তানের(Pakistan) হাতে থাকা চিনা এইচকিউ-৯ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইলগুলিকে সহজেই ফাঁকি দিয়েছিল র্যাম্পেজ।
অপারেশন ‘সিঁদুর’-এর সময়ে এই মিসাইল(Missile) কার্যকারিতার প্রমাণ দিয়েছে।ভারতের হাতে ব্রহ্মস, স্ক্যাল্প, ক্রিস্টাল মেজ়-এর মতো শক্তিশালী অস্ত্র থাকলেও র্যাম্পেজের গুরুত্ব অন্যরকম। কারণ, এটি তুলনামূলক হালকা, দ্রুতগতির এবং বিভিন্ন যুদ্ধবিমানে সহজে স্থাপন করা যায়। বর্তমানে সুখোই-৩০ এমকেআই, মিগ-২৯ এবং জাগুয়ার– এই তিন ধরনের বিমানে মিসাইলটি ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও যুদ্ধবিমান এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে।কেন এই নতুন অর্ডার?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান ও চিন ক্রমাগত নিজেদের এয়ার ডিফেন্স ও অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াচ্ছে। পূর্ব লাদাখের উত্তেজনা কিংবা সীমান্তের সংঘর্ষে বারবার স্পষ্ট হয়েছে যে দূরপাল্লার নির্ভুল আক্রমণ ক্ষমতা এখন ভারতের জন্য অপরিহার্য। এই কারণেই ফাস্ট-ট্র্যাক পদ্ধতিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক নতুন অর্ডার অনুমোদনের দিকে এগোচ্ছে।এখন প্রশ্ন, এই সিদ্ধান্তের কূটনৈতিক বার্তা কী? স্পষ্টতই, ভারত প্রতিবেশীদের জানিয়ে দিচ্ছে যে সীমান্তে কোনও অস্থিরতা তৈরি হলে, ভারত শুধু প্রতিরক্ষাতেই নয়, আক্রমণাত্মক ক্ষমতাতেও সমান প্রস্তুত। র্যাম্পেজের নতুন অর্ডার তাই কেবল সামরিক শক্তি বাড়ানো নয়, বরং কৌশলগত বার্তা পৌঁছে দেওয়ারও হাতিয়ার।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
