Noida Murder Case: সভ্য সমাজের অসভ্য জানোয়ার পণলোভী,খুনিদের ফাঁসির দাবি উঠছে দেশজুড়ে

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: সম্প্রতি কুকুরদের বনে পাঠিয়ে দেওয়ার ফরমান জারি হয়েছিল। কমপক্ষে সভ্য সমাজের বাইরে কোন পুনর্বাসন। সেই আদেশ জারি করেছিলেন স্বয়ং সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পরে অবশ্য সেই আদেশ কিছুটা নমনীয় করে শহরের মধ্যে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই কুকুর কোন সম্পর্ক জ্বালিয়ে দেয় না। অকৃতজ্ঞ নয়। প্রভুভক্ত জানোয়ার। সে প্রসঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্র এখানে নয়। কিন্তু মানুষের মধ্যে যে জানোয়ারের বাস সেই মানুষরূপী জানোয়ারদের জন্য দেশে একটা উদাহরণও নেই যেখানে গৃহবধূ হত্যায় (Noida Murder Case) ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অথচ প্রতি বছর নথিভুক্ত বধূ হত্যার (Noida Murder Case) পরিমাণ কিছু কম নয়। বছরে সাত হাজার। গত ২০ বছরের যে সংখ্যাটা দাঁড়ায় এক লক্ষ ৫০ হাজার।

আরও পড়ুন: Operation Mahadev: পহেলগাঁওতে হামলাকারী জঙ্গিদের নিকেশের জন্য অপারেশন মহাদেবের নেপথ্যে থাকা বীর জওয়ানদের সম্মান শাহের

সম্প্রতি দিল্লির উপকণ্ঠে সন্তানের চোখের সামনে গৃহবধূকে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়ার দ্শ্য যখন সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে সারা ভারতবর্ষ দেখল এবং শিউরে উঠল। আবার নতুন করে আওয়াজ উঠেছে–এরকম জঘন্য খুনির ফাঁসি (Punishment) চাই। কিন্তু ভারতবর্ষে সেই উদাহরণ একটাও নেই। বরং প্রমাণের অভাবে বেশিরভাগ খুনিরই উচ্চ আদালতে রেহাই মিলে যায়। আমরা ইদানিং চাঁদে উপনিবেশ বানাবার পরিকল্পনা করছি। শুভাংশু শুক্লা আমাদের সেই আশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু বাংলা থেকে বিহার কিংবা দিল্লী থেকে নয়ডা (Noida Murder Case) বহু শিক্ষিত মানুষের মনের মধ্যে যে লোভ,(dowry) লালসা আর হিংসার দাবানল পুড়িয়ে দিচ্ছে সব সভ্যতার গর্ব সেই মানসিকতার বসবাস মান্ধাতা যুগের। যেখানে বধূকে স্বামীর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দেওয়া হত জ্বলন্ত স্বামীর চিতায়। রাজা রামমোহন রায় যে প্রথা থেকে আমাদের মুক্তি দিয়েছিলেন।

কিন্তু তারপরে- এই যুগেও পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে আমরা এখনও পরের ধনে পোদ্দারি করার পক্ষপাতী। বাইক কেনার ক্ষমতা না থাকলেও অন্যের মার্সিডিজ বেঞ্জ পাওয়ার লোভ করি। যে লালসার বলি নয়ডার নিক্কি । দিল্লী থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দুরের শহর নয়ডা। সেখানে একই বাড়িতে দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন নিক্কির বাবা ভিকি। মনে সাধ ছিল এক জায়গায় দুই বোন থাকলে দুজনেই ভাল থাকবে। কিন্তু হল অন্যরকম। অবস্থাপন্ন ব্যবসায়ী ভিকি সম্প্রতি একটি মার্সিডিজ বেঞ্জ কিনেছেন। ব্যস, নিক্কির স্বামী ও তার দাদা দুই বোনের উপর অত্যাচার শুরু করলেন শ্বশুর বাড়ি থেকে নতুন গাড়ি কেনার টাকা দেওয়ার জন্য। শাশুড়ি দয়া(নামেই কাজে চণ্ডাল) মারধর করে ছেলের হাতে তুলে দিল বৌমার আরও শিক্ষা দিতে। এবার ছেলে একেবারে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দিল। সামনে বাচ্চা মেয়ে। সে দেখল বাবার হাতে মায়ের জ্বলন্ত মৃত্যু। পণের (dowry) বলি হল আরও এক গৃহবধূ। বাংলাতেও ২০২৪ সালের একটি এরকমই সন্তানের চোখের সামনে মাকে জ্বলন্ত মৃত্যুর ঘটনার নিম্ন আদালতের রায় ঘোষণা হল। একই রকম জঘন্য নারকীয় ঘটনা। সমাজের সব স্তরে এই ধরনের ভয়াবহ মৃত্যুর দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছে। জঘন্যতম অপরাধের সর্বোচ্চ (punishment) ফাঁসির দাবি উঠেছে, সমাজের এইসব পরাশ্রয়ী জানোয়ারদের কঠিনতম সাজা দিতে হবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole