GST: GST বিপুল ছাড়েও ভরসা নেই বিজেপির।

দেশ রাজনীতি

ওষুধ (life saving drug)থেকে বিমা(Insurance)। হঠাৎ যেন মনে হবে সব সস্তা হয়ে গেল। জনহিতকর ও কল্যাণকর রাষ্ট্রের জনগণের শিক্ষা,স্বাস্থ্য আর সুরক্ষার মৌলিক অধিকার যে সরকার এতদিন ধরে ওভারলুক(overlook) করেছিল তাকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে আজ উন্মাদনার ঝড়। সত্য সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে GSTতে বিপুল ছাড়ের ঘোষণা ! জিএসটি কাউন্সিল অনুমোদন দেয় জিএসটি সরলীকরণ করে ওষুধ থেকে বিমা এবং বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রের GST কমিয়ে দেওয়ার এবং GST সরলীকরণের। সেই কথা অনুসারে GST ৫ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশ এই দুটি মুলত ভাগে GST প্রয়োগের। তবে সেই ঘাটতির টাকা তুলে নেওয়ার জন্য ধূমপায়ী আর জলপাইদের (ড্রিংকার) পণ্যের ওপর ৪০ পারসেন্ট GST চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আগামি বছরে বাংলার ভোট বৈতরণী কিংবা বিহারের বিধানসভার নির্বাচন। কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী হন কিংবা রাজ্যের পরিচিত বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির সব নেতাই হোমওয়ার্ক করে এসেছেন। গেয়ে যাবেন একসুরে, এক প্রাণে। সারের জয়গান। বিজেপি যে SIR কেই হাতিয়ার করতে একেবারে দাঁত কামড়ে থাকবেন। সেটা দিনের আলোর মতই পরিস্কার GST উজ্জ্বল বৃহস্পতিবার সকালেও। সব বিজেপি নেতাদের মুখেই সারের সুখ্যাতি। যেন দেশের থেকে বিদেশি লোক তাড়ানোর জন্য আর কোন কেন্দ্রীয় সংস্থা নেই। সকালেই কলকাতায় এলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। GST র পুরো ক্রেডিট কেন্দ্রের বলে জানিয়ে দিলেন। তারও আগে খুব সকালে নিউটাউনে দিলীপ ঘোষ। যার এদিন সবচেয়ে বেশী GST নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার কথা! কেন্দ্রের সবচেয়ে রাজনৈতিক স্বস্তির দিনেও বিজেপির সব নেতার মুখেই শুধু সেনা আর SIR এর সুর।

সামনে বিহার থেকে পশ্চিমবাংলা। ভোটের ময়দানে দুই রাজ্যেই যে বিজেপির সাফল্যের রাস্তায় কাঁটা বিছানো সেটা বিলক্ষণ জানে বিজেপির সব নেতাই। তাই যেদিন GST এবং প্রচুর শুল্ক কমের কৃতিত্বের দিনেও একটানা বেজে চলল সারের সাথে নির্বাচন কমিশনের উপর ভরসার কথা।
এই জায়গায় সব বিজেপি নেতাই এককাট্টা। GST হ্রাসের ফলে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বাড়লে আখের জিডিপি(GDP-Gross Development product)-র লাভ।