নিউজ পোল ব্যুরো:পশ্চিমবঙ্গের স্বয়ংসেবকদের জন্য এই বছর আয়োজন করা হয় আরএসএসের (RSS centenary West Bengal) শতবর্ষ উদযাপন কর্মসূচি ‘একত্রীকরণ’। রবিবার প্রথমে আয়োজন করা হয়েছিল ‘শাখা’ অনুষ্ঠান দিয়ে। এরপর শুরু হয় ‘পথ সঞ্চলন’ বা রুট মার্চ, যার মাধ্যমে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/09/21/new-gst-reforms-navratri-savings-festival/
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে গণবেশ পরে পথে নামতে দেখা যায়। রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও গণবেশ পরে অংশ নেন এবং বিভিন্ন স্থানে পথসঞ্চলনে অংশগ্রহণ করেন।
প্রতি বছরই বিজয়া দশমীতে অনুষ্ঠিত হয় আরএসএসের এই বার্ষিক কর্মসূচি। এদিন সরসঙ্ঘচালক দেশের স্বয়ংসেবকদের উদ্দেশে দেন গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ, যেখানে বিগত বছরের সঙ্ঘীয় কার্যক্রমের বিশ্লেষণ ও আসন্ন বছরের নীতিমালা তুলে ধরা হয়। ১৯২৫ সালের বিজয়া দশমীতে কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার প্রথম বৈঠকের মাধ্যমে আরএসএস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাই বিজয়া দশমীর গুরুত্ব সঙ্ঘের জন্য অপরিসীম।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে প্রতিবারই এই আয়োজন কিছুটা জটিল হয়ে উঠত। কারণ, সেই সময় স্বয়ংসেবকরাও নিজের এলাকার পুজো এবং বিজয়া উদযাপনে ব্যস্ত থাকেন। এবার সেই পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিকল্প তারিখে একত্রীকরণের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে রাজ্যের স্বয়ংসেবকরা ব্যস্ততার কারণে এই অনুষ্ঠান মিস না করেন।
আরএসএসের (RSS centenary West Bengal) দক্ষিণবঙ্গ প্রান্তের প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায়ের কথায়, ‘‘আমরা মহালয়ায় গোটা রাজ্যে প্রায় এক হাজার স্থানে একত্রীকরণের পরিকল্পনা করেছিলাম। তার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে শ’খানেক, বাকিটা মধ্যবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গে। প্রতিটি স্থানের ছবি ও ভিডিও আমাদের কাছে এসেছে, যা আমাদের কর্মকাণ্ডের বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরে।’’
রাজ্য জুড়ে এক লক্ষেরও বেশি স্বয়ংসেবক মহালয়ার একত্রীকরণে অংশ নেন বলে আরএসএস সূত্রে দাবি করা হয়েছে। পূর্ব ভারত ক্ষেত্রের শীর্ষ পদাধিকারীরা যেমন রমাপদ পাল, জলধর মাহাতো, সুব্রত চট্টোপাধ্যায়, জিষ্ণু বসুদের মতো নেতারা রবিবার পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে পথসঞ্চলনে অংশ নেন।
সূত্রের আরও তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার নিউটাউনে অংশগ্রহণ করেন, এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কাঁথিতে পথসঞ্চলনে যোগ দেন। এভাবে রাজ্য জুড়ে সঙ্ঘের শতবর্ষ উদযাপনকে প্রাণবন্ত করে তোলা হয়।