PoK: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে গণআন্দোলনের আগুন, শাহবাজ সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠল জনতা

আন্তর্জাতিক

নিউজ পোল ব্যুরো: পাক (PoK) অধিকৃত কাশ্মীরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। বঞ্চনার দীর্ঘ অধ্যায়ের পর এবার যেন ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে পথে নেমেছে মানুষ। শাহবাজ শরিফ (Shahbaz Sharif) সরকারের বিরুদ্ধে ‘বৈষম্যমূলক আচরণ’ ও ‘পরিকাঠামোগত অবহেলার’ অভিযোগ তুলে অনির্দিষ্টকালের জন্য ডাকা হয়েছে ‘শাটার ডাউন’ বনধ। আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির নেতৃত্বে এই গণআন্দোলনে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছেন আইনজীবী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী এমনকি ছাত্ররাও। গোটা অঞ্চলে থমথমে পরিবেশ, সোমবার মধ্যরাত থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।

আরও পড়ুন: Rahul Gandhi: রাহুল গান্ধীকে লাইভ টিভিতে গুলি করে মারার হুমকি, বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ দাবি কংগ্রেসের

আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু মুজফ্‌ফরাবাদ। সেখান থেকেই ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভের আগুন। আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির ৩৮ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে কাঠামোগত সংস্কার, দুর্নীতি রোধ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়ন, পানীয় জলের নিশ্চয়তা, এবং পাকিস্তানে (PoK) বসবাসকারী কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (Kashmir) বিধানসভায় সংরক্ষিত ১২টি আসন বাতিল করার দাবি।

জনগণের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হলেও ইসলামাবাদ সরকারের তরফে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং প্রশাসনিক অবহেলা, অকার্যকর পরিষেবা, এবং ব্যাপক ঘুষ ও দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষ। এক প্রবীণ আইনজীবী বলেন, “ধর্মঘট কোনও অপরাধ নয়, এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। প্রশাসনের উচিত জনতার কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দেওয়া, তাকে দমন করা নয়।”

প্রশাসন হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ধর্মঘট বা প্রতিবাদ বরদাস্ত করা হবে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। পাড়ায় পাড়ায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ ব্যানার হাতে প্রতিবাদে সামিল হচ্ছেন। এই উত্তাল পরিস্থিতিতে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) আগের মন্তব্য আবারও ঘুরে ফিরে আসছে জনমানসে। তিনি বলেছিলেন, “পিওকে-তে (PoK) হামলার দরকার নেই। ওটা এমনিই একদিন বলবে, আমি ভারতের অংশ।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole