নিউজ পোল ব্যুরো: যখন আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনায় ব্যস্ত, তখনই কাবুলে ধ্বনিত হল বিস্ফোরণের শব্দ! বৃহস্পতিবার রাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে (Kabul) পরপর দু’টি বিস্ফোরণ ঘিরে ছড়াল উত্তেজনা। ঘটনার সময় এবং প্রেক্ষাপট ঘিরে জন্ম নিচ্ছে একাধিক প্রশ্ন। এই বিস্ফোরণ কি নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত বার্তা?
আরও পড়ুন: নিশানায় শাসকদল! পুজো কাটতেই ফের ‘অ্যাকশন মোডে’ ED, তল্লাশি সুজিত বসু-সহ ১০ জায়গায়
তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ দেওয়া পোস্টে জাবিউল্লাহ লিখেছেন, “বিস্ফোরণের তদন্ত চলছে। এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”
তবে কাবুলের (Kabul) এই বিস্ফোরণ নিয়ে শুধু আফগানিস্তান নয়, চাপে পড়েছে প্রতিবেশী পাকিস্তান-ও। একাধিক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম দাবি করছে, এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত থাকতে পারে। মূল টার্গেট ছিলেন পাকিস্তানি তালিবান তথা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (TTP) নেতা নূর ওয়ালি মাসুদ। সূত্রের খবর, মাসুদ নিজেই একটি অডিও বার্তায় এই হামলার খবর উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি, তিনি নিরাপদেই রয়েছেন। অন্যদিকে, তালিবান প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক এবং আফগান সাংবাদিকরাও পাকিস্তানের বিমান হানার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবুও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আফগান বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফরের মুহূর্তে এমন বিস্ফোরণ একাধিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে তখন, যখন তালিবান সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কাবুলে (Kabul) বিস্ফোরণ যেমন আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার প্রশ্ন তোলে, তেমনই পাকিস্তান ও TTP-র সম্পর্ক, ও তালিবান প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে জল্পনা আরও গভীর করে তোলে। পাশাপাশি ভারত-আফগানিস্তান কূটনীতির মাঝপথে এমন ঘটনা স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়ায় এখনও অস্থিরতা কাটেনি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
