Delhi blast: দিল্লি বিস্ফোরণ কান্ডে ধরা পড়ল মূল অভিযুক্ত, সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির ঐতিহাসিক লালকেল্লা এলাকার সামনে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণ (Vehicle Blast, Terror Attack) তদন্তে নতুন মোড়। এই ঘটনার মূল সন্দেহভাজন উমর মহম্মদের প্রথম ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। যে গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়েছিল, সেটির বর্তমান মালিক হিসেবে উমর মহম্মদের নাম উঠে এসেছে। ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) পরীক্ষা করে তদন্তকারীরা দেখতে পেয়েছেন, বিস্ফোরণের কিছুক্ষণ আগে উমরের উপস্থিতি ছিল ওই গাড়ির ভেতরে। তবে বিস্ফোরণের পর তিনি মারা গেছেন নাকি পরিকল্পিতভাবে গা ঢাকা দিয়েছেন— এখনও তা স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুন:Delhi Blast: জাতীয় নিরাপত্তায় বড় হুমকি! লালকেল্লা বিস্ফোরণের পর উদ্ধার ২৯০০ কেজি IED উপকরণ

সূত্রের দাবি, দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় পুলিশি অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্কিত হয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং গাড়িটি বিস্ফোরণের আগে একাধিকবার রুট পরিবর্তন করে। এদিকে এই ঘটনার পর মার্কিন দূতাবাস (US Embassy Advisory) একটি সতর্কতামূলক বার্তা জারি করেছে। ভারতে অবস্থানকারী মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশে দূতাবাস জানিয়েছে, লালকেল্লা, চাঁদনি চক এবং আশপাশের জনবহুল এলাকা এড়িয়ে চলতে। পাশাপাশি মার্কিন বিদেশ দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিভাগ একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “আমরা গভীরভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি, নিহতদের পরিবার ও আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা।” শুধু আমেরিকা নয়, ব্রিটিশ হাইকমিশনার এবং শ্রীলঙ্কার দূতাবাসও শোকপ্রকাশ করেছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

সূত্রের খবর, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ ঘটে। এখনও পর্যন্ত সরকারি হিসেবে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও এটি জঙ্গি হামলা (Terror Link) কিনা, সে বিষয়ে সরকার কিছু বলেনি; তবে তদন্তের গতিপথ জঙ্গি যোগের দিকেই নির্দেশ করছে। গোয়েন্দাদের অনুমান, পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed) এই হামলার পেছনে থাকতে পারে। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, বিকেল প্রায় ৪টের সময় গাড়িটি সুনহেরি মসজিদের পার্কিং লটে প্রবেশ করে। সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা রেখে পরে গাড়িটি বেরিয়ে আসে। ফুটেজে দেখা যায়, গাড়িতে তখন একজনই ছিল। সিগন্যালের কাছে গতি কমানোর পরেই বিস্ফোরণ ঘটে— ঠিক সেখানেই শেষবারের মতো দেখা যায় সেই অজ্ঞাত ব্যক্তিকে। তদন্ত (Investigation) এখনও চলছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সম্ভাব্য জঙ্গি নেটওয়ার্ক এবং গাড়িটির গতিপথ খতিয়ে দেখছে।