নিউজ পোল ব্যুরো: ২০০৮ সালের মালেগাঁও বিস্ফোরণ (Malegaon Verdict) মামলা যেন বারবার নতুন মোড় নিচ্ছে। এনআইএ আদালতের রায়ে বেকসুর খালাস পেলেও, এবার আবারও আইনি জটিলতায় পড়তে চলেছেন বিজেপি সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর (Pragya Singh Thakur) ও সাবেক সেনাকর্মী কর্নেল প্রসাদ পুরোহিত। বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের দায়ের করা এক নতুন মামলায় বম্বে হাই কোর্ট নোটিস পাঠিয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন: Physiotherapist Vs IMA : ফিজিওথেরাপিস্টদের নামের আগে ‘ডাক্তার’ বিতর্ক, সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে IMA
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার মালেগাঁও শহরে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে (Malegaon Verdict) প্রাণ হারান ছয়জন, আহত হন শতাধিক। বিস্ফোরণের পর তদন্তে উঠে আসে একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নাম, এবং প্রজ্ঞা ঠাকুরের মোটরবাইকের সঙ্গেও বিস্ফোরণের সরাসরি যোগ পাওয়া যায়। ফলে গ্রেপ্তার করা হয় সাধ্বী প্রজ্ঞা, কর্নেল পুরোহিত-সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের। ২০১১ সালে তদন্তভার নেয় এনআইএ। দীর্ঘ তদন্ত, একাধিক চার্জশিট ও ৩২৩ জন সাক্ষীর জবানবন্দি খতিয়ে দেখার পর ২০২৩ সালে বিশেষ এনআইএ আদালত অভিযুক্তদের যথাযথ প্রমাণের অভাবে খালাস দেয়। রাজনৈতিকভাবে সেই রায় অনেকেই ব্যাখ্যা করেন “আইনের বিজয়” বলে। তবে সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হল না।
নিহতদের পরিবারের সদস্য নিসার আহমেদ বিলাল ও তার আত্মীয়রা এবার বম্বে হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন, যেখানে তারা দাবি করেন যে তদন্ত প্রক্রিয়ায় গুরুতর ত্রুটি রয়েছে এবং বিশেষ আদালতের রায় খারিজ হওয়া উচিত। বম্বে হাই কোর্ট সেই আবেদন গ্রহণ করে এনআইএ, মহারাষ্ট্র এটিএস এবং সব অভিযুক্তকে নোটিস পাঠিয়েছে। আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে তাদের জবাব চাওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে (Malegaon Verdict) কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। আইন, বিচার ও ধর্মের প্রশ্নে কতটা নিরপেক্ষ ভূমিকা নিচ্ছে প্রশাসন। এই মামলার ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত শুধু প্রজ্ঞা ও পুরোহিতদের জন্য নয়, দেশের বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতার দিকেও দৃষ্টিপাত করবে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
