Mamata Banerjee : ‘টেলিভিশন হোক সামাজিক চেতনার শক্তিশালী মাধ্যম’, টেলি অ্যাকাডেমি পুরস্কারে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা পেজ 3 বিনোদন

নিউজ পোল ব্যুরো: সামাজিক চেতনা বৃদ্ধিতে টেলিভিশনের ভূমিকা অগ্রণী হওয়া উচিত—এই বার্তাই পেশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee) টেলি অ্যাকাডেমি পুরস্কার অনুষ্ঠানে (Tele Academy Awards 2025)। বৃহস্পতিবার রাজ্য তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে ‘ধন ধান্য’ প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ছোট পর্দার তারকাদের বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়। টেলিভিশনকে বরাবরই সামাজিক দর্পণ হিসেবে দেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Mamata Banerjee), আর সেই প্রেক্ষাপটে ধারাবাহিক নির্মাতাদের জন্য তার বার্তা ছিল স্পষ্ট—“টেলিভিশন চ্যানেলের সবথেকে বড় দিক হোক মানবিক ও সামাজিক চেতনা বৃদ্ধি। একই সঙ্গে সুশিক্ষা এবং ইতিহাসের সঠিক ধারণা পৌঁছে দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।”

আরও পড়ুন : Stomach Cancer : দূষিত পানীয় জলে লুকিয়ে থাকতে পারে হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি, বাড়ছে স্টম্যাক ক্যানসারের ঝুঁকি

মুখ্যমন্ত্রী (CM Mamata Banerjee) উল্লেখ করেছেন, বর্তমান প্রজন্ম অনেক সময় তাদের ইতিহাস ঠিকভাবে জানতে পারছে না। সেই শূন্যতা পূরণের জন্যই টেলিভিশনকে সামাজিক ও মানবিক বার্তা পৌঁছানোর শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগানো উচিত। তিনি মনে করিয়েছেন, আমাদের এই মাটি স্বাধীনতা আন্দোলন ও নবজাগরণের জন্ম দিয়েছে, এবং এই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই টেলিভিশনের মূল দায়িত্ব। সিরিয়াল নির্মাতাদের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee) আগেও পরামর্শ দিয়েছেন কূটকচালি, বহুবিবাহ বা অযথা নাটকীয়তা বাদ দেওয়ার বিষয়ে। অনুষ্ঠানে তিনি আরও সংযোজন করেন, “আমাদের টেলিপাড়া শিল্পী, কলাকুশলীরা দিনরাত পরিশ্রম করেন। তাদের জীবনে ছুটি কম, উৎসবে যাওয়ার সময়ও সীমিত। তাই তাদের কাজকেই যেন উৎসব হিসেবে দেখা যায়।” তিনি জানান, টেলিভিশন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং সমাজের প্রতিফলন, ভাষা, সঙ্গীত ও সংস্কৃতির সংকলনের এক শক্তিশালী ক্ষেত্র।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

ডিজিটাল যুগে দর্শক টান বজায় রাখার জন্য টিআরপি বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ—কিন্তু গল্পের মধ্য দিয়ে মানবিক ও সামাজিক চেতনা ছাড়া এটি অসম্পূর্ণ। এই বার্তা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “প্রত্যেকটা চরিত্রের ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ—ভালো হোক বা নেগেটিভ। সবই গল্পের অঙ্গ।” উল্লেখযোগ্যভাবে, অনুষ্ঠানে সিনে টেকনিশিয়ানস-এর কল্যাণ তহবিলে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের হাতে চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এভাবেই টেলিভিশনের মাধ্যমে সামাজিক চেতনা বৃদ্ধি এবং শিল্পীদের প্রণোদনা দুটোই একসাথে সম্ভব।