Kunal Ghosh statement:‘আফশোস কলকাতা’—মেসির হায়দরাবাদ অনুষ্ঠান দেখিয়ে খোঁচা কুণাল ঘোষের!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিশৃঙ্খলার ঘটনার পর শনিবারই মুখ খুলেছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh statement)। সেদিন তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “কিছু মানুষের হ্যাংলামির কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে।” তবে বিতর্ক যে সেখানেই থামবে না, তা সময়ের অপেক্ষা ছিল মাত্র। হায়দরাবাদে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ার পর ফের একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানালেন কুণাল। তাঁর সংক্ষিপ্ত পোস্ট— “আফশোস কলকাতা”—নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/12/14/pm-modi-condemns-sydney-bondi-beach-terror-attack/

তিনদিনের ভারত সফরে কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা, হায়দরাবাদ, মুম্বই ও দিল্লিতে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই তিনি কলকাতায় পা রাখেন। যুবভারতীতে মাঠে নামলেও দর্শকদের একাংশের অভিযোগ, তাঁরা মেসিকে ঠিকভাবে দেখতে পাননি। অভিযোগ ওঠে, প্রায় ৬০–৭০ জন নিরাপত্তারক্ষী ও ঘনিষ্ঠজন তাঁকে ঘিরে রাখায় গ্যালারি থেকে দর্শকদের পক্ষে দেখা সম্ভব হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ মাঠের ভিতরে বোতল ছোড়া শুরু করলে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তার স্বার্থে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন মেসি। এরপরই তিনি হায়দরাবাদের উদ্দেশে রওনা দেন, যেখানে নির্ধারিত অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

হায়দরাবাদের অনুষ্ঠানের শেষে মেসি বলেন, “আপনাদের সঙ্গে এই কয়েকটি দিন ভাগ করে নিতে পারা আমাদের জন্য বড় সম্মান। ভারতে এসে আপনাদের সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে আমরা কৃতজ্ঞ।” সেই সফল আয়োজনের পরই কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh statement) “আফশোস কলকাতা” পোস্ট ঘিরে নতুন করে তুলনা শুরু হয়েছে দুই শহরের ব্যবস্থাপনা ও আয়োজন নিয়ে।

এদিকে যুবভারতী-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে একাধিক প্রশ্নও সামনে এসেছে। চড়া দামে টিকিট কেটেও মেসিকে কাছ থেকে দেখতে না পাওয়ায় দর্শকদের ক্ষোভকে অনেকেই যুক্তিসঙ্গত বলে মনে করছেন। তবে সেই ক্ষোভের আড়ালেই শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের কিছু ছবি নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে। চেয়ার, কার্পেট ও ফুলের টব তুলে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ঘিরে প্রশ্ন উঠছে—কারা এসব করলেন? যাঁরা চেয়ার ও কার্পেট তুলে নিয়ে গেলেন, তাঁরা কি আদৌ ক্রীড়াপ্রেমী? ময়দান ও ক্রীড়াঙ্গনকে যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁরা কি সত্যিই এমনভাবে মাঠের ক্ষতি করতে পারেন—এই প্রশ্নই এখন যুবভারতী-কাণ্ডের কেন্দ্রে ঘুরপাক খাচ্ছে।