Smart Phone: সেকেন্ড হ্যান্ড বাজারে কড়া নজর,চোরাই ফোন ধরা পড়লে অজুহাত নয়, সরাসরি আইনি পদক্ষেপ

প্রযুক্তি

নিউজ পোল ব্যুরো:ইউজ সেকেন্ড হ্যান্ড স্মার্টফোন (Smart Phone) কেনার ক্ষেত্রে এবার আরও বেশি সতর্ক থাকার নির্দেশ দিল কেন্দ্র। অজান্তে চুরি যাওয়া বা কালো তালিকাভুক্ত কোনও ডিভাইস কিনে ফেললে তার দায় সরাসরি গ্রাহকের উপরই বর্তাবে। চলতি বছরের ২৭ নভেম্বর এই সংক্রান্ত একটি বিশেষ সার্কুলার জারি করেছে টেলি যোগাযোগ দফতর বা ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশন (DoT)। সরকারের দাবি, এই নিয়ম চালু হলে সারা দেশে স্মার্টফোন চুরির ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন:SIR in West Bengal: খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ,নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেখে জানা যাবে বাদ পড়া নামের তথ্য

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে সেকেন্ড হ্যান্ড ফোন কেনা বা বিক্রি করার আগে সংশ্লিষ্ট ক্রেতা ও বিক্রেতাকে অবশ্যই সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে ডিভাইসটির IMEI নম্বর যাচাই করতে হবে। ফোনের এই ইউনিক নম্বরটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করালেই জানা যাবে সেটি পুলিশের খাতায় চুরি যাওয়া বা ব্ল্যাকলিস্টেড (Blacklisted Phone) হিসেবে নথিভুক্ত আছে কি না। যদি ফোনটি কালো তালিকাভুক্ত হয়, তাহলে সেটি ব্যবহার করা আইনত অপরাধ বলে গণ্য হবে। এই নিয়মের গুরুত্ব বোঝাতে একটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে সরকারি ব্যাখ্যায়। ধরা যাক, কোনও ব্যক্তি একটি স্মার্টফোন চুরি করে তা সেকেন্ড হ্যান্ড বাজারে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। এর মধ্যেই প্রকৃত মালিক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং পুলিশ সেই ফোনের IMEI নম্বর কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এমন পরিস্থিতিতে, কোনও ক্রেতা যদি সরকারি ওয়েবসাইটে IMEI Check করেন, তবে সহজেই বুঝতে পারবেন ফোনটি চোরাই। কিন্তু যাচাই না করেই যদি তিনি সেই ডিভাইস কেনেন, তাহলে ধরা পড়লে আইন অনুযায়ী শাস্তির মুখে পড়তে হবে তাঁকেই।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

সার্কুলারে সাধারণ মানুষের জন্য দু’টি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, চুরি যাওয়া সেকেন্ড হ্যান্ড ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়লে কোনও অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না। ‘ওয়েবসাইট দেখিনি’ বা ‘ভুলে গিয়েছিলাম’—এই ধরনের যুক্তিতে রেহাই মিলবে না। দ্বিতীয়ত, যদি কারও ফোন চুরি যায়, তাহলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত নিকটবর্তী থানায় গিয়ে অভিযোগ জানাতে এবং সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটিকে ব্ল্যাকলিস্টেড করার আবেদন করতে বলা হয়েছে।

এই ব্যবস্থা সারা দেশে একযোগে কার্যকর হওয়ায়, ফোনটি অন্য রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাওয়া গেলেও একইভাবে তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। ফলে একদিকে যেমন চোরাই ফোনের বাজারে লাগাম টানা যাবে, তেমনই সচেতন হলে গ্রাহকরাও অযথা আইনি জটিলতা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবেন।