নিউজ পোল ব্যুরো: বর্তমান সময়ে ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে ইউপিআই (UPI) অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কয়েক সেকেন্ডেই টাকা পাঠানো বা গ্রহণ করা যায় বলে অধিকাংশ মানুষ এখন এই ব্যবস্থার উপর নির্ভর করছেন। তবে সহজ এবং দ্রুত হওয়ায় অনেক সময় ব্যবহারকারীরা এর নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি উপেক্ষা করেন। ফলে সামান্য অসতর্কতাই বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই ইউপিআই ব্যবহার করার সময় কিছু নিরাপত্তা নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
আরও পড়ুন: Kolkata Metro: মেট্রোয় নিষিদ্ধ সামগ্রী নিয়ে কড়াকড়ি, স্টেশনজুড়ে সতর্কতা নিয়ম না মানলেই জরিমানা ও জেল
প্রথমত, পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ইউপিআই লেনদেন করা একেবারেই উচিত নয়। রেলস্টেশন, ক্যাফে বা অন্যান্য পাবলিক জায়গার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক অনেক সময় নিরাপদ থাকে না। এই ধরনের নেটওয়ার্কে হ্যাকাররা সহজেইব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য চুরি করতে পারে। তাই ইউপিআই পেমেন্ট করার সময় বিশ্বস্ত ব্যক্তিগত ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা ভালো, অথবা আরও নিরাপদ বিকল্প হিসেবে মোবাইল ডেটা ব্যবহার করা উচিত।
দ্বিতীয়ত, ওটিপি (OTP) এবং ইউপিআই পিন কখনও কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। অনেক সময় প্রতারকরা গ্রাহক পরিষেবা কর্মীর পরিচয় দিয়ে ফোন বা মেসেজের মাধ্যমে এই তথ্য জানতে চায়। মনে রাখতে হবে, কোনও বৈধ ইউপিআই অ্যাপ বা ব্যাংক কখনও ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ওটিপি বা পিন জানতে চায় না। এই তথ্য শেয়ার করলে মুহূর্তের মধ্যেই আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া সম্ভব। এছাড়া মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম এবং ইউপিআই অ্যাপ নিয়মিত আপডেট রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডেভেলপাররা সময় সময় নতুন আপডেটের মাধ্যমে বিভিন্ন নিরাপত্তা দুর্বলতা ঠিক করে এবং সিস্টেমকে আরও সুরক্ষিত করে। তাই ফোনে নতুন আপডেট এলে তা অবহেলা না করে দ্রুত ইনস্টল করা উচিত।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে অ্যাপ লক বা বায়োমেট্রিক সুরক্ষা ব্যবহার করা যেতে পারে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আনলক, পিন বা প্যাটার্ন লকের মতো ব্যবস্থা চালু করলে অন্য কেউ সহজে আপনার ইউপিআই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে না। পাশাপাশি খুব সহজ বা অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকেও বিরত থাকা উচিত।সামান্য কিছু সচেতনতা এবং সতর্কতা অবলম্বন করলেই ইউপিআই লেনদেনকে অনেক বেশি নিরাপদ করা সম্ভব। ডিজিটাল পেমেন্টের সুবিধা নিতে গেলে নিরাপত্তার বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
