Renkoji Temple: রেনকোজি মন্দিরের চিতাভস্ম নিয়ে ফের প্রশ্ন! সত্য অনুসন্ধানে এবার মন্দির ট্রাস্টের দ্বারস্থ গবেষক

কলকাতা

নিউজ পোল ব্যুরো: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চিতাভস্ম সংক্রান্ত বিতর্ক ফের নতুনভাবে উসকে দিয়েছে। জাপানের রেনকোজি মন্দিরে (Renkoji Temple) রাখা চিতাভস্মটি সত্যিই নেতাজির কিনা তা খুঁজে বের করতে কলকাতার (Kolkata) দুই গবেষক সৈকত নিয়োগী ও সৌম্যব্রত দাশগুপ্ত মন্দির কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠাচ্ছেন। বিশ্বের একটি বড় অংশ বিশ্বাস করে যে, ১৯৪৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তাইহোকু বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজি মৃত্যুবরণ করেছিলেন এবং সেই মৃত্যুর পর তাঁর চিতাভস্ম মন্দিরে রাখা হয়েছে। বসু পরিবারও একই দাবি করেছে।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: .মোদীর ডিগ্রি থেকে শাহের নথি, সব ‘ডুপ্লিকেট’! শংসাপত্র বিতর্কে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্প্রতি নেতাজির স্বঘোষিত কন্যা অনিতা পাফ তাঁর ‘বাবা’র চিতাভস্ম হিসেবে রেনকোজি মন্দিরের (Renkoji Temple) চিতাভস্ম ভারতে ফিরিয়ে আনার দাবি করেছেন। তবে অনেক গবেষক প্রশ্ন তুলেছেন যে, ১৯৪৫ সালের ওই দিন তাইহোকুতে কোনও বিমান দুর্ঘটনা ঘটেনি। সৈকত ও সৌম্যব্রত বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ, বিশেষ করে তাইওয়ান রিপোর্ট সামনে এনে দেখিয়েছেন যে, ওই দিনে কোনও দুর্ঘটনার রেকর্ড নেই। অনিতার দাবিকে কেন্দ্র করে কলকাতায় প্রতিবাদ সভা আয়োজন করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন নেতাজির নাতনি জয়ন্তী রক্ষিত, ফরওয়ার্ড ব্লকের সাধারণ সম্পাদক জি. দেবরাজন, আজাদ হিন্দ ফৌজের সিক্রেট সার্ভিসের যোদ্ধা রণেন্দ্রমোহন রায়, বিচারক ও লেখক বিপ্লব রায়, প্রবীণ সাংবাদিক তরুণ গোস্বামী প্রমুখ।

দেবরাজন সভায় মন্তব্য করেছেন, নেতাজির চিতাভস্ম (Renkoji Temple) দেশে আনার প্রচেষ্টা একটি ষড়যন্ত্র। তিনি আরও বলেছেন, “দক্ষিণ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী মথুরামলিঙ্গম থেবর ১৯৫০ সালে সংসদে ঘোষণা করেছিলেন, তিনি নেতাজির সঙ্গে ৪০ দিন চীনে ছিলেন। সেই ঘোষণা সমগ্র দেশকে আন্দোলিত করেছিল।” জয়ন্তী রক্ষিতও জানিয়েছে, “নেতাজির তথাকথিত চিতাভস্ম ভারতে আনার চক্রান্ত আবার শুরু হয়েছে।”

এই পরিস্থিতিতে সৈকত ও সৌম্যব্রত অস্ট্রিয়ার অগ্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি পাঠাচ্ছেন, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোফাইলে অনিতা পাফকে নেতাজি ও এমিলি সেঙ্কেলের কন্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন, ১৯৪২ সালে নেতাজি ও এমিলি সেঙ্কেলের বিয়ে হয়েছিল কি না, কারণ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ (সাবেক অফিস অফ স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিস) ১৯৪৩ সালের একটি প্রতিবেদনে এমিলিকে ‘মিস’ হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং তিনি সুভাষচন্দ্রের স্টেনোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেছিলেন। সৈকত বলছেন, “যদি বিয়ে হয়নি, তাহলে অনিতাকে কিভাবে নেতাজি-কন্যা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় তাদের প্রোফাইলে উল্লেখ করছে?”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole