Mamata Banerjee: মুড়িগঙ্গায় শুরু হচ্ছে সেতু তৈরির কাজ! গঙ্গাসাগরবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

breakingnews রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: কথায় রয়েছে, ‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই প্রবাদকেই যেন নতুন অর্থ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুড়িগঙ্গার উপর বহু প্রতীক্ষিত গঙ্গাসাগর সেতুর (Gangasagar) শিলান্যাস করে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) বললেন, “সব সাগর একবার, গঙ্গাসাগর বারবার।” গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সাগরদ্বীপে গিয়ে সেখান থেকেই এই ঐতিহাসিক প্রকল্পের সূচনা করেন তিনি।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: এসআইআর নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল! ‘আমি উকিল, প্রয়োজনে প্লিড করব’, হুঙ্কার মমতার

মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) জানান, মুড়িগঙ্গার উপর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের আধুনিক সেতু তৈরি হবে। আগামী দু’থেকে তিন বছরের মধ্যেই এই সেতু নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে এই সেতুর ভাবনা তাঁর মাথায় আসে বলে জানান প্রশাসনিক প্রধান। সাগরদ্বীপের বাসিন্দা এবং প্রতিবছর গঙ্গাসাগর মেলায় আগত লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর যাতায়াতের সমস্যার কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার একাধিকবার কেন্দ্রের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইলেও তা মেলেনি। তবে কেন্দ্রীয় সাহায্যের অপেক্ষায় না থেকে রাজ্য নিজস্ব উদ্যোগেই এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। শুরু হয় জমি অধিগ্রহণ, ডাকা হয় টেন্ডার। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে বাস্তব রূপ পেল সেই স্বপ্ন।

এদিন শিলান্যাস অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গঙ্গাসাগর সেতুর নির্মাণের দায়িত্ব এল অ্যান্ড টি-কে দেওয়া হল। প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেতু রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের জন্য উপহার হিসেবে তৈরি করছে।” তিনি আরও জানান, এই সেতু তৈরি হলে সাগরদ্বীপের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে।

মুখ্যমন্ত্রী সাগর এলাকার মানুষের প্রতিকূল জীবনযাত্রার কথাও তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, “এই সেতু বহুদিনের দাবি। আমরা শুধু প্রতিশ্রুতি দিই না, কাজ করে দেখাই।” সেতু চালু হলে সাগরদ্বীপের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।

সূত্রের খবর, গঙ্গাসাগর সেতুর নকশা ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে। দ্বিতীয় হুগলি সেতু বা নিবেদিতা সেতুর আদলে এই সেতু নির্মাণ করা হবে। জমি অধিগ্রহণের কাজও অনেকটাই এগিয়েছে। কাকদ্বীপ এলাকায় প্রায় ৭.৯৫ একর এবং কচুবেড়িয়া এলাকায় ৫.০১ একর জমি ইতিমধ্যেই অধিগ্রহণ করা হয়েছে। বাকি জমির প্রক্রিয়াও শীঘ্রই শেষ হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole