Graduate Pharmacy Aptitude Test 2026: ফার্মাসি স্নাতকোত্তরে ভর্তির পথে স্বস্তি, জিপ্যাট আবেদনপত্র সংশোধনের সুযোগ

শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো: ফার্মাসিতে স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির জন্য জাতীয় স্তরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশিকা পরীক্ষা হল গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসি অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট বা জিপ্যাট। প্রতি বছরের মতো চলতি বছরও এই পরীক্ষার আয়োজন করছে ন্যাশনাল বোর্ড অফ এগ্‌জ়ামিনেশনস ইন মেডিক্যাল সায়েন্সেস (NBEMS)। ইতিমধ্যেই জিপ্যাট ২০২৬ পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তবে যেসব পরীক্ষার্থী আবেদন করার সময় অনিচ্ছাকৃত ভুল করেছেন, তাঁদের জন্য এবার আবেদনপত্র সংশোধনের সুযোগ ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইলে বড় বদল, কভার ফটো ফিচার আনছে মেটা

NBEMS সূত্রে জানা গিয়েছে, জিপ্যাট ২০২৬-এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল গত ২৩ ডিসেম্বর। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১২ জানুয়ারি। এর পরই বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। আগামী ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এই সংশোধনের সুযোগ মিলবে। এই সংশোধন পর্বে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বাড়ির ঠিকানা, জাতিগত পরিচয়-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপডেট করতে পারবেন। পাশাপাশি আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া নথিতে বানান বা তথ্যগত কোনও ভুল থাকলে সেগুলিও ঠিক করার সুযোগ থাকছে। তবে কিছু নির্দিষ্ট তথ্য পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরীক্ষার্থীদের নাম, ই-মেল আইডি, মোবাইল নম্বর এবং পরীক্ষাকেন্দ্র সংক্রান্ত কোনও তথ্য সংশোধন করা যাবে না। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যদি কোনও পরীক্ষার্থী জাতিগত পরিচয় পরিবর্তন করেন, সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি জমা দিতে হতে পারে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

আবেদনপত্র সংশোধনের জন্য প্রথমে পরীক্ষার্থীদের NBEMS-এর সরকারি ওয়েবসাইট  http://natboard.edu.in-natboard.edu.in-এ যেতে হবে। হোমপেজে থাকা ‘GPAT 2026 Application Correction Link’-এ ক্লিক করলেই লগ ইন পেজ খুলবে। সেখানে নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলে আবেদনপত্র স্ক্রিনে দেখা যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় সংশোধন করে ফর্মটি পুনরায় জমা দিতে হবে। জিপ্যাট ২০২৬ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ মার্চ। কম্পিউটার বেসড টেস্ট (CBT) পদ্ধতিতে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা। মোট ৫০০ নম্বরের প্রশ্নপত্রে থাকবে ১২৫টি মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন। ভুল উত্তরের জন্য নেগেটিভ মার্কিংও প্রযোজ্য। পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ৭ এপ্রিল। ফার্মাসিতে উচ্চশিক্ষার ইচ্ছুক পড়ুয়াদের কাছে এই পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।