Muri Ganga River : মুড়িগঙ্গায় ডুবো চড়ে ধাক্কা, জাহাজে হু হু করে জল ঢুকে বিপদে ১২ নাবিক, যৌথ উদ্ধার মৎস্যজীবী ও পুলিশের

কলকাতা জেলা

নিউজ পোল ব্যুরো: মুড়িগঙ্গা নদীতে (Muri Ganga River)ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়েছিলেন ১২ জন নাবিক। মাঝনদীতেই আচমকা জাহাজে জল ঢুকতে শুরু করায় মুহূর্তের মধ্যে তৈরি হয় আতঙ্কজনক পরিস্থিতি। তবে মৎস্যজীবী ও পুলিশের দ্রুত এবং সমন্বিত উদ্ধার অভিযানে প্রাণে বেঁচেছেন সকলেই। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের মধ্যে ১১ জনই বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছেন এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : Netaji Subhas Chandra Bose : নেতাজির ছায়ায় দক্ষ যুবসমাজের গড়ন, জন্মজয়ন্তী ও সরস্বতী পুজোতে একজোট সেবাশ্রমের কিশোরবাহিনী

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বজবজ এলাকা থেকে ছাই বোঝাই করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল এমভি তামজীদ (MV Tamzid) নামের একটি পণ্যবাহী জাহাজ। জাহাজটি মুড়িগঙ্গা নদী (Muri Ganga River Navigation Route) অতিক্রম করার সময় হঠাৎই নদীর মধ্যে থাকা একটি ডুবো চড়ায় সজোরে ধাক্কা লাগে। প্রবল সংঘর্ষের ফলে জাহাজটির মাঝখানের অংশে ফাটল ধরে এবং সেখানে একটি বড় ছিদ্র তৈরি হয়। এর পরেই হু হু করে জাহাজের ভিতরে জল ঢুকতে শুরু করে। জলের তোড়ে ধীরে ধীরে ভারসাম্য হারাতে থাকে জাহাজটি এবং ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। সেই সময় জাহাজের ভিতরেই আটকে পড়েন ১২ জন নাবিক। মাঝনদীতে এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি দেখে প্রথমে নৌকা নিয়ে এগিয়ে আসেন আশপাশের মৎস্যজীবীরা (Local Fishermen Rescue)। তারা দ্রুত সাগর থানায় (Sagar Police Station) খবর দেন এবং নিজেরাও উদ্ধারকাজে হাত লাগান।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

খবর পেয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সাগর থানার পুলিশ বাহিনী ও উদ্ধারকারী দল। মৎস্যজীবী ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় একে একে জাহাজে আটকে থাকা সমস্ত নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিকে, ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও নৌ-প্রশাসন (Marine Accident Investigation)। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম থাকায় নাবিকরা ডুবো চড়াটি বুঝতে পারেননি। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি বা নেভিগেশন সংক্রান্ত কোনও গাফিলতি ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি।