Nabanna : বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের, এবার সরকারি কর্মীর পরিবারে বৈধ সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন বিবাহিতা কন্যারাও

কলকাতা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: রাজ্যের সরকারি কর্মী ও পেনশনারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন (Nabanna)। অর্থ দফতরের নতুন নির্দেশিকায় সরকারি কর্মীদের পরিবারের সংজ্ঞায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতদিন অনেক ক্ষেত্রেই বিয়ের পর মেয়েদের পরিবার সদস্য হিসেবে গণ্য করা হতো না, ফলে তারা বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। এবার সেই পুরনো নিয়মে সংশোধন এনে বিবাহিতা কন্যাদেরও সরকারি কর্মীর বৈধ পরিবার সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের (Article 309)-এর অধিকার প্রয়োগ করে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : Kolkata Tram : ১৫৩ বছরে পা কলকাতার ট্রাম, ঐতিহ্য বাঁচাতে পথে নামলেন ট্রামপ্রেমীরা

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি কর্মীর মৃত্যুর পর দেওয়া (Death Gratuity)-এর ক্ষেত্রে ‘পরিবার’ শব্দের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। আগে অনেক ক্ষেত্রে বিবাহিতা কন্যারা এই সুবিধা পেতেন না বা নানা জটিলতার মুখে পড়তেন। অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এখন থেকে বিবাহিতা কন্যারাও পরিবারের সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন এবং প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবেন। প্রশাসনিকভাবে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রথা চালু ছিল, যেখানে মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলে তাকে আর নির্ভরশীল সদস্য হিসেবে ধরা হতো না। এমনকি অনেক সময় সরকারি কর্মীর (Service Book) থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হতো। নতুন নির্দেশিকায় এই প্রথা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে। অর্থ দফতর জানিয়েছে, বিয়ে হয়ে গেলেও সার্ভিস বুকে মেয়ের নাম নথিভুক্ত রাখতে হবে এবং বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তনের কারণে কোনওভাবেই তার নাম সরকারি নথি থেকে মুছে ফেলা যাবে না।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

নবান্নের (Nabanna) জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, এর আগে যদি কোনও বিবাহিতা বা বিবাহবিচ্ছিন্না কন্যাকে নিয়ে (Pending Cases) বা ডেথ গ্র্যাচুইটির আবেদন অমীমাংসিত অবস্থায় থেকে থাকে, তাহলে সেগুলিও সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী পুনর্বিবেচনা করে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের (West Bengal) বহু সরকারি কর্মী, পেনশনার (Pensioners) এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা সরাসরি উপকৃত হবেন বলে প্রশাসনিক মহলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের একটি বৈষম্যমূলক প্রথার অবসান ঘটিয়ে এই সংশোধন সরকারি কর্মীদের পরিবারকে আরও সুরক্ষা দেবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।