Anindita Raychaudhury : শ্বেতার বেঁচে ফেরা নিয়ে কটাক্ষ! কড়া বার্তায় ট্রোলারদের জবাব অনিন্দিতার

পেজ 3 বিনোদন

নিউজ পোল ব্যুরো: ২৯ মার্চ ২০২৬, রবিবারের সেই ভয়াবহ সন্ধ্যা এখনও অনেকের মনে দগদগে ক্ষত হয়ে রয়েছে। দিনভর তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunodoy Banerjee Death)। সব কিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। কিন্তু সন্ধ্যা নামার ঠিক আগের মুহূর্তে ঘটে যায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, যা কেড়ে নেয় অভিনেতার প্রাণ। মুহূর্তের মধ্যে আনন্দঘন শুটিং সেট পরিণত হয় আতঙ্ক ও শোকে ভরা এক বিভীষিকাময় পরিবেশে। সেই দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্রও (Sweta Mishra)। ঘটনার পর থেকে তাকে নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। ঠিক কী হয়েছিল সেই সময়? কেন তিনি এখনও বিস্তারিতভাবে কিছু বলছেন না? এমনকি তার বেঁচে ফেরা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নেটদুনিয়ার একাংশ। এই পরিস্থিতিতেই শ্বেতার (Sweta Mishra) পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী অনিন্দিতা রায়চৌধুরী (Anindita Raychaudhury)।

আরও পড়ুন: Strait of hormuz: দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ নয়, হরমুজ প্রণালী নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি খামেনেই-পুত্রের

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্টে অনিন্দিতা (Anindita Raychaudhury) স্পষ্টভাবে জানান, শ্বেতা এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিকভাবে ফিরে এসেছে। তিনি লেখেন, কে কী জানতে চাইছে তা নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন, তবে শ্বেতা নিজের মতো করেই সঠিক সময়ে সব কথা বলবে, আইনের কাছেও বলবে। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, শ্বেতার মানসিক দৃঢ়তা যথেষ্ট শক্তিশালী এবং সে নিজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। দুর্ঘটনার দিন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, যেখানে দেখা যায় আতঙ্কিত শ্বেতা বারবার প্রশ্ন করছেন, “রাহুলদা কোথায়?” তার চোখেমুখে তখন স্পষ্ট উদ্বেগ। এমনকি তিনি নিজেই জানান, তিনিও জলে পড়ে গিয়েছিলেন। এই ভিডিও ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক যেখানে প্রশ্ন ওঠে, শ্বেতা বেঁচে ফিরলেও রাহুলের এমন পরিণতি হল কীভাবে?

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

এইসব মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অনিন্দিতা (Anindita Raychaudhury)। তিনি কড়া ভাষায় জানান, অমানবিক ও অযৌক্তিক প্রশ্ন তুলে একজন দুর্ঘটনা-জীবিত মানুষকে মানসিকভাবে আঘাত করা উচিত নয়। তিনি অনুরোধ করেন, শ্বেতার বেঁচে ফেরাকে অভিশাপ না বানিয়ে, তাকে নতুন করে বাঁচার সুযোগ দেওয়া হোক। তার কথায়, এই দ্বিতীয় জীবনকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করাই হওয়া উচিত সকলের দায়িত্ব।