কলেজ স্ট্রিটে তোলপাড়! পকসো মামলার অভিযুক্ত কাউন্সিলারের বাড়িতে তল্লাশি

breakingnews অপরাধ কলকাতা জেলা রাজনীতি রাজ্য

অবশেষে 5 ঘণ্টা চোর পুলিশ খেলার পর ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলকে আটক করলো পুলিশ । দরজা ধাক্কানোয়ে দরজা না খোলায়, নকল চাবি বানিয়ে দরজা খোলায় চেষ্টা করতেই গর্ত থেকে বেরিয়ে এলো ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিন। ২০২৩ সালের একটি পকসো মামলার অভিযোগে যাঁর নাম জড়িয়ে , সেই কাউন্সিলারকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কর আগুন জ্বলে। প্রশ্ন উঠছে, কেন হঠাৎ সক্রিয় হল পুলিশ? আর কেনই বা অভিযোগকারী নাবালিকাকে ফের হুমকির মুখে পড়তে হল? স্থানীয়দের অভিযোগ, শনিবার ওই নাবালিকা কাউন্সিলারের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর ঘনিষ্ঠদের হাতে হেনস্তা ও মারধরের শিকার হন। সেই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

রবিবার সকাল থেকে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ কাউন্সিলারের বাড়ি ঘিরে ফেলে। স্থানীয় এক যুবকের দাবি, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নাবালিকার অভিযোগের ভিত্তিতে FIR দায়ের হয়েছিল এবং সেই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া এখনও আদালতে চলছে। কিন্তু নতুন করে নাবালিকার উপর হামলার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে তদন্তের গতি এখন নতুন মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছে স্থানীয় মহল। আরও জানা যায় গত কাল পাড়ার সব CCTV ভেঙে ফেলে মহম্মদ জসিমউদ্দিনের সাঙ্গপাঙ্গরা।

এদিকে শুধু পকসো মামলাই নয়, কাউন্সিলারকে ঘিরে একাধিক গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে। এলাকার বহু সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করতেই এই কাজ করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ, এলাকার একটি বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রেখে সেখানে নানা ধরনের দুর্নীতি ও বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে কাউন্সিলারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি । ফলে কলেজ স্ট্রিটের এই ঘটনা এখন শুধুমাত্র একটি পুলিশি অভিযানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।