নিরাপত্তায় কোনও আপস নয় —শুভেন্দুর বড় সিদ্ধান্তে বদলাচ্ছে বাংলা! নারী সুরক্ষা থেকে সাইবার অপরাধ—সবখানেই কড়া নজর

breakingnews আইন প্রযুক্তি রাজনীতি রাজ্য

নিউজপোল ব্যুরো: কলকাতার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এবার বড়সড় কড়া বার্তা দিল রাজ্য সরকার। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, নারী সুরক্ষা এবং সাইবার অপরাধ রুখতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, শুধু অপরাধ ঘটার পর ব্যবস্থা নয়, এবার আগে থেকেই অপরাধ ঠেকাতে জোর দেওয়া হবে।

আজ বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, বর্তমানে সাইবার প্রতারণা ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে। শুধু শহরের মানুষ নন, গ্রামের সাধারণ মানুষ, প্রবীণ নাগরিক এমনকি সরকারি প্রকল্পের উপভোক্তারাও প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। তাই প্রতিটি থানায় সাইবার ক্রাইম হেল্প ডেস্ক চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাতে প্রতারণার অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

সবচেয়ে বড় ঘোষণা এসেছে নারী নিরাপত্তা নিয়ে। রাজ্যজুড়ে চালু হয়েছে  মহিলা হেল্প ডেস্ক। প্রতিটি হেল্প ডেস্কে দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশ কর্মীরা। পাশাপাশি আজ থেকেই রাস্তায় নামছে  দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড’। কোথাও কোনও মহিলা উত্যক্ত বা হয়রানির শিকার হলে এই বিশেষ বাহিনী দ্রুত সেখানে পৌঁছে ব্যবস্থা নেবে। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, নারী নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। সরকার আরও জানিয়েছে, পুলিশের কাজকে আরও আধুনিক ও দ্রুত করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। প্রেসিডেন্সি রেঞ্জে নতুন অডিও-ভিডিও ট্রান্সমিশন সিস্টেম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও অভিযোগ এলে তা গোপন না রেখে দ্রুত এফআইআর নথিভুক্ত করতে হবে। কেন্দ্রীয় সংস্থা কোনও তথ্য চাইলে তা নিয়ম মেনেই দেওয়া হবে।

নতুন সিদ্ধান্তগুলি হল-

  1. প্রতিটি থানায় সাইবার ক্রাইম হেল্প ডেস্ক।
  2. মহিলা সমস্যার জন্য বিশেষ মহিলা হেল্প ডেস্ক।
  3. নারী নিরাপত্তায় চালু **দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড
  4. অভিযোগ এলে দ্রুত FIR করার নির্দেশ।
  5. পুলিশে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বৃদ্ধি।
  6. সাইবার প্রতারণা রুখতে বিশেষ নজরদারি।

সব মিলিয়ে, কলকাতা ও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করতে একাধিক নতুন পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছে সরকার। মানুষের নিরাপত্তাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার। আগামী দিনে আরও আধুনিক প্রযুক্তি, দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা এবং কড়া নজরদারির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গকে দেশের অন্যতম নিরাপদ রাজ্যে পরিণত করার লক্ষ্যেই সরকার এগোচ্ছে।