নিউজ পোল ব্যুরো: বর্তমানে ইন্টারনেট (Internet) এবং সামাজিক যোগাযোগ (Social Media) মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে তথ্যের প্রবাহ অত্যন্ত দ্রুততর হয়েছে। বিশেষত ইউটিউব (YouTube) যা একটি বিশাল ভিডিও শেয়ারিং (Video Sharing) প্ল্যাটফর্ম। সেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার নতুন ভিডিও আপলোড হয়। তবে কিছু ইউটিউব (YouTube) চ্যানেল দর্শকদের আকৃষ্ট করার জন্য ভুয়ো (Fake News) বা মিথ্যে ভিডিও (Fake Video) তৈরি করে। যা তাদের আয়ের পথে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এ ধরনের ভিডিওর মধ্যে জনপ্রিয় সিনেমার ভুয়ো ট্রেলার (Fake Trailer), মিথ্যে খবর (Fake News) বা অবাস্তব কনটেন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকে। যা দর্শকদের ভুল পথে পরিচালিত করে। ইউটিউব (YouTube) কর্তৃপক্ষ এই সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যা চ্যালেঞ্জ (Challenge) হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপ ব্যান হলে কী করবেন?
ইউটিউব কর্তৃপক্ষ (YouTube authorities) এখন এক নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার ফলে ভুয়ো ভিডিও প্রকাশকারী চ্যানেলগুলির আয় বন্ধ হয়ে যাবে। ইউটিউবের এই সিদ্ধান্তের (Decision) মূল লক্ষ্য, যে সমস্ত চ্যানেল দর্শকদের আকৃষ্ট করার জন্য মিথ্যে ট্রেলার বা ভুয়ো ভিডিও প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। এই ধরনের ভিডিওগুলিতে সাধারণত জনপ্রিয় সিনেমা বা সিরিজের ট্রেলার তৈরির দাবি করা হয়, যদিও সেগুলি বাস্তবে কখনও তৈরি হয়নি। উদাহরণস্বরূপ মার্ভেল বা হ্যারি পটারের (Harry Potter) মতো বিখ্যাত সিনেমা সিরিজের নামে এসব ভুয়ো ট্রেলার তৈরি করা হয়। যাতে দর্শক আকৃষ্ট হয় এবং চ্যানেলটির ভিউ (Channel Views) বাড়ে। এই ভিডিওগুলো ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করে যা আয়ও বাড়িয়ে দেয়।

এখন ইউটিউব কর্তৃপক্ষ এই ধরনের চ্যানেলগুলির আয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একে “ভাতে মারার” ব্যবস্থা বলা হচ্ছে, কারণ এই চ্যানেলগুলো বিজ্ঞাপন বা দর্শকসংখ্যার ভিত্তিতে আয় করতে পারবে না। এআই (AI) এবং অন্যান্য প্রযুক্তির সাহায্যে এসব ভুয়ো ট্রেলার তৈরি করা হয় যা দেখে দর্শকরা ভুল ধারণায় পড়েন। স্ক্রিন কালচার বা কেএইচ স্টুডিওর মতো কিছু ইউটিউব চ্যানেলের (YouTube Channel) ২০ লক্ষেরও বেশি সাবস্ক্রাইবার রয়েছে যারা এমন ধরনের ভুয়ো ট্রেলার দেখেই সেগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হন।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://www.youtube.com/@newspolebangla
ইউটিউব কর্তৃপক্ষের মতে, এই ধরনের ভিডিও (Video) প্রকাশ করা লোক ঠকানোর সামিল। এটি সঠিক নয়। তারা জানিয়েছেন, এই ধরনের কন্টেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং চ্যানেলগুলির আয় বন্ধ করে দেওয়া হবে। যদিও এসব চ্যানেলের প্রতিষ্ঠাতারা একে শিল্পের স্বাধীনতা ও কল্পনা প্রকাশের অংশ হিসেবে দেখেন। ইউটিউবের এই সিদ্ধান্ত তাদের জন্য বড় একটি ধাক্কা। তাদের মতে, তারা যে কল্পনাকে বাস্তব রূপ দিতে চেয়েছেন তা এখন আর সম্ভব হবে না।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দর্শকরা হয়তো কিছুটা হতাশ হবেন, তবে এটি ইউটিউবের পক্ষ থেকে একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে।
