নিউজপোল ব্যুরো: সরকারি হাসপাতালগুলোর অন্দরে চলা কোটি কোটি টাকার দালাল চক্রের কোমর এক ঝটকায় ভেঙে দিতে এবার খোদ স্বাস্থ্য ভবনের কন্ট্রোল রুমে গিয়ে অল-আউট অ্যাকশনে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! আজ বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ স্বাস্থ্য ভবনের নজরদারি খতিয়ান নিজে দাঁড়িয়ে পরীক্ষা করার পর এক ঐতিহাসিক ও ধামাকা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুবাবু সাফ জানিয়ে দিলেন, “আমরা সমস্ত সরকারি হাসপাতালকে ‘আয়ুষ্মান মন্দির’ নাম দিয়েছি। মন্দিরে যেমন পবিত্রতা রক্ষা করা হয়, ঠিক তেমনই এবার থেকে প্রতিটা হাসপাতালে সাধারণ মানুষের চিকিৎসার পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে। কোনো চোর-দালালকে রেহাই দেওয়া হবে না!
হাসপাতাল চত্বরে বছরের পর বছর ধরে চলা নোংরা দালালরাজকে চিরতরে খতম করতে এক হাড়হিম করা হুঙ্কার দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি কড়া ভাষায় জানান, স্বাস্থ্য ভবনের এই মেগা কন্ট্রোল রুম থেকেই এবার প্রতি সেকেন্ডে নজরদারি চালানো হবে। আজ সকালে যে দালালকে হাসপাতালের গেটে ঘুরঘুর করতে দেখা গেছে, কাল সকালে যেন কোনোভাবেই তাকে আর সেখানে দেখা না যায়! দালালদের পুরোপুরি হটাতে এবার রাজ্য এবং জেলা স্তরের সমস্ত বড় হাসপাতালের কিচেন থেকে শুরু করে পার্কিং লট পর্যন্ত এই সেন্ট্রাল মনিটরিং রুমের সাথে সরাসরি জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে কোথায় কী ঘটছে, তা এক পলকেই ধরে ফেলবেন স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা।
এখানেই শেষ নয়, হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতেও একগুচ্ছ অভিনব পরিকল্পনা এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার থেকে ডিউটিতে থাকা সমস্ত নার্সদের জন্য দেওয়া হবে বিশেষ ল্যামিনেশন করা পরিচয়পত্র বা ব্যাজ। শুধু তাই নয়, হাসপাতালের বিভিন্ন স্তরে কর্মরত কর্মীদের জন্য থাকবে আলাদা আলাদা রঙের বিশেষ কালার কোডেড ব্যাজ। এর ফলে কোন কর্মী কোন বিভাগে কাজ করছেন, তা দূর থেকেই অনায়াসে চিনে ফেলা যাবে এবং বহিরাগতদের প্রবেশ রোখা সহজ হবে।
