বারুইপুরের সেই হাড়হিম করা নাবালিকা হত্যা মামলায় এবার ‘রাজা’ ঝড়! ধৃতদের মুখে রাজার নাম আসতেই কেন কাঁপছে পুলিশ প্রশাসন?

breakingnews অপরাধ রাজনীতি রাজ্য

নিউজপোল ব্যুরো: ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে নৃশংস যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় বারুইপুরের মাটি যখন ক্ষোভে ফুটছে, ঠিক তখনই এক বিস্ফোরক ভিডিও পোস্ট করে রাজ্য রাজনীতিতে আগুন জ্বালিয়ে দিল ‘কালীঘাট তৃণমূল’। শাসক শিবিরের দাবি— এই নারকীয় কাণ্ডের নেপথ্যে থাকা ‘রাজা’ নামের এক প্রভাবশালী বিজেপি কর্মীকে আড়াল করতে কোমর বেঁধে নেমেছে পুলিশ! আর এই অভিযোগ সামনে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে।

তৃণমূলের শেয়ার করা সেই ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশ ফাঁড়ির ভেতরে মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার ও প্রভাস মণ্ডলকে জেরা করা হচ্ছে। সেখানে আনন্দকে বলতে শোনা যায়, “আমি ছিলাম না স্যর, ধম্মো কথা বলছি।” তখনই পুলিশ পাল্টা প্রশ্ন করে, “তাহলে রাজা ছিল, তুই কী করে জানছিস?” জবাবে আনন্দ সর্দার সিসিটিভি ক্যামেরা খোলার দাবি জানিয়ে বলে, রাতে নেশা করে কারা ঘুরছিল তা ক্যামেরাতেই স্পষ্ট ধরা পড়বে। শুধু ধৃতরাই নয়, নিহত নাবালিকার বাবার মুখেও শোনা গিয়েছে এই নাম। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, “প্রবীর, দিবাকর, আনন্দের সাথে বাপির ছেলে রাজাও আছে।”

সাংসদ মহুয়া মৈত্র এই ভিডিও তুলে ধরে সরাসরি হুঙ্কার দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, “রাজা কে? হেফাজতে থাকা সন্দেহভাজনরা যার নাম নিচ্ছে, সেই রাজার আসল পরিচয় কী? উত্তরগুলো কোথায়?” তৃণমূলের অভিযোগ, রাজনীতির রঙ দেখেই পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাইল চাপা দিচ্ছে। পাল্টা আসরে নেমেছে বিজেপিও। নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সাফ জানিয়েছেন, তৃণমূলের ছড়ানো এই ভিডিওটি সম্পূর্ণ ‘ভুয়ো’ এবং সাজানো। নাবালিকার রক্তের বদলে নোংরা রাজনীতি করার চেষ্টা চলছে। তদন্তের জল কোন দিকে গড়ায়, এখন সেটাই দেখার!