বারুইপুর কাণ্ডে অবশেষে জালে মূল জল্লাদ! ১২ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের মূল আসামী আনন্দ সরদারকে কুকুর-বেড়ালের মতো টেনে খাঁচায় বন্দি করল পুলিশ!

breakingnews অপরাধ রাজনীতি রাজ্য

নিউজপোল ব্যুরো: বারুইপুর কাণ্ডে অবশেষে জালে মূল জল্লাদ! ১২ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের মূল আসামী আনন্দ সরদারকে কুকুর-বেড়ালের মতো টেনে খাঁচায় বন্দি করল পুলিশ! শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ থাকার পর যে নিষ্পাপ কিশোরীর নিথর দেহ পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছিল, তাকে নৃশংসভাবে অত্যাচার ও শ্বাসরোধ করে খুনের ঘটনায় মূল আসামী আনন্দ সরদারকে আজ গ্রেপ্তার করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ।

আনন্দ সরদারের এই গ্রেফতারির খবরে বারুইপুরের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এই নরপিশাচের কোনো ক্ষমা নেই। একটা ফুটফুটে শিশুর জীবন যে এভাবে কেড়ে নিতে পারে, তার একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিত ফাঁসি। দোষীকে ধরে ফেলায় পুলিশকে ধন্যবাদ জানালেও, সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এখনো কমেনি। আদালত চত্বরে যাতে সে কড়া শাস্তি পায়, এখন সেটাই দেখার। এলাকার মা-বোনেদের স্পষ্ট কথা, “আইন যেন এই জল্লাদকে এমন সাজা দেয়, যা দেখে আর কোনো অপরাধী এমন হাড়হিম করা অপরাধ করার সাহস না পায়।”

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া ফাঁসির হুঙ্কার এবং এই ৬ সদস্যের সিট-এর অল-আউট রেইডের পর এটা জলের মতো পরিষ্কার যে, অপরাধীদের এবার সোজা ফাঁসির কাঠে ঝুলতেই হবে । ধৃত আনন্দ সরদার ও তার বাকি দুই পিশাচ সঙ্গীকে লকআপের অন্ধকার ঘরে বসিয়ে যখন সিট-এর গোয়েন্দারা নিজেদের ‘থার্ড ডিগ্রি’ স্টাইলে ম্যারাথন জেরা শুরু করবে, তখন এই পৈশাচিক খুনের আড়ালে থাকা আর কোন কোন বড় বড় প্রভাবশালী নেতার নাম টেবিলের ওপর বেরিয়ে আসে— তা নিয়ে এখন গোটা বাংলা জুড়ে তৈরি হয়েছে এক তীব্র, উত্তেজনা, তবে পুলিশের এই বড় সাফল্যে আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে বারুইপুর, তবে লড়াই এখনো শেষ হয়নি—এখন অপেক্ষা শুধু চরম শাস্তির।