মমতার পা কি সত্যিই ভেঙেছিল? পুরনো মেডিক্যাল রিপোর্ট সামনে এনে নতুন করে প্রশ্ন শান্তনু সেনের

breakingnews রাজনীতি রাজ্য

নিউজপোল ব্যুরো:২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। পাঁচ বছর পর পুরনো মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রমাণ স্বরূপ প্রকাশ্যে এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই আবহে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন।

সম্প্রতি নন্দীগ্রামে প্রচারে গিয়ে মমতার পা ভাঙার দাবি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, তৎকালীন চিকিৎসা পরীক্ষায় পায়ের হাড় ভাঙার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বাঙুর ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্সেসের সিটি স্ক্যান রিপোর্টেও হাড় ভাঙা বা সরে যাওয়ার প্রমাণ মেলেনি বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও দেখুন:-‘দেশ গঠনে রাজনীতির প্রয়োজন’, সক্রিয় রাজনীতিতে প্রাক্তন CBI প্রধান নাগেশ্বর রাও

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতার চোট পাওয়া পায়ের চারটি ছবি প্রকাশ করেন শান্তনু সেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটে, অন্যটিতে রক্তপাতের চিহ্ন এবং আরও দু’টি ছবিতে প্লাস্টার করা পা দেখা যায়  শান্তনুর প্রশ্ন, চোটের সময় যদি রক্তপাত না হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তী ছবিতে রক্তের দাগ এল কীভাবে? একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় প্লাস্টার রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।  ফলে পাঁচ বছর আগের নন্দীগ্রামের সেই চোটকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।

শান্তনুর দাবি প্রসঙ্গে মমতা তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কত বড় বেইমান হলে এই কথাগুলো বলা যায়। শান্তনু সেন তৃণমূলে থাকাকালীন রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন, কাউন্সিলর হয়েছেন, এমনকী স্ত্রীকেও কাউন্সিলর করেছেন। একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, তাঁর পায়ে আঘাত লেগেছে, এতদিন পরে এসব কথা বলছে। এই ধরনের কথা বলা যায়? যাঁরা করছেন, তাঁরা কত নিম্ন মানসিকতার মানুষ বোঝা যায়। ”