“ও লাশ আমি আনব না, ভালোই হয়েছে মরছে!” নিজের ছেলের এনকাউন্টারকে বুক ঠুকে সমর্থন মায়ের, মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাকশনে ধন্য গোটা বাংলা!

breakingnews অপরাধ আইন রাজনীতি রাজ্য

নিউজপোল ব্যুরো: বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ধৃত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারের পর বাংলা দেখল এক নজিরবিহীন ও হাড়হিম করা দৃশ্য! নিজের পেটের ছেলের এনকাউন্টারকে বুক ঠুকে সমর্থন করলেন স্বয়ং জন্মদাত্রী মা! গতকাল মাঝরাতে পুলিশের বন্দুক কেড়ে নিয়ে পালাতে গিয়ে খতম হয়েছে কুখ্যাত প্রভাস। আর এই খবর শোনার পরেই কান্নায় ভেঙে পড়া তো দূর, রাগে ও ঘৃণায় ফেটে পড়লেন মা সন্ধ্যা মণ্ডল।

সন্ধ্যাদেবী বুক চাপড়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “ও যা নোংরা কাজ করেছে, তার ঠিক ফল পেয়েছে! মেয়েটার ওপর যেভাবে পাশবিক অত্যাচার করেছিল ও, তাতে ওর মৃত্যু হয়ে ভালোই হয়েছে। ওই (লাশ) আমি ঘরে আনতে যাব না, ও মুখ আর দেখতে চাই না!” মায়ের এই অভূতপূর্ব ও বজ্রকঠিন অবস্থান নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা সমাজকে।

আর এই এনকাউন্টারের খবর ছড়াতেই বিচার পাওয়ার বুকভরা আশা জেগে উঠেছে তিলোত্তমার ঘরেও! আর জি কর কাণ্ডের নির্যাতিতার মা এবং পানিহাটির বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথ এই পুলিশি অ্যাকশনকে দরাজ গলায় স্বাগত জানিয়েছেন। বিধায়ক রত্না দেবী বলেন, “এই নরপশুরা কতটা বেপরোয়া যে পুলিশের অস্ত্র কেড়ে গুলি চালাচ্ছে! এদের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। যে আরেক মায়ের কোল খালি করেছে, তার এটাই চরম শাস্তি।” একই সাথে প্রভাসের মায়ের এই প্রতিবাদী রূপকে কুর্নিশ জানিয়ে তিনি বলেন, “ওই মাকেও আমার স্যালুট। মুখ্যমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ। এই ঘটনার পর আমার নিজের মেয়ের বিচার পাওয়ার আশাও এবার শতগুণ বেড়ে গেল! বিচার আমি পাবই, আর খুব তাড়াতাড়ি পাব।”

বারুইপুরের এই ঘটনা শুধু একটি এনকাউন্টার নয়, বাংলার অপরাধ ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে। একদিকে ছেলের দেহ নিতে অস্বীকার করা মায়ের মন্তব্য, অন্যদিকে নির্যাতিতার পরিবারের বিচারের আশার কথা—দুই বিপরীত ছবিই এখন রাজ্যজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।