Fisheries Development : মাছের জালে এবার উন্নয়নের নতুন ঢেউ! নিউটাউনের রিভিউ বৈঠকে মৎস্যক্ষেত্র নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, মৎস্যশিল্পে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের

breakingnews আইন প্রযুক্তি রাজনীতি রাজ্য

নিউজপোল ব্যুরো: রাজ্যজুড়ে মৎস্যশিল্পে বিরাট অর্থনৈতিক জোয়ার আনতে এবং মৎস্যজীবীদের ভাগ্যবদলে বিশাল ঘোষণা! সোমবার নিউটাউনের প্রাণিসম্পদ দফতরে আয়োজিত এক হাইভোল্টেজ রিভিউ মিটিংয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে একসঙ্গে বৈঠকে বসলেন রাজ্য ও কেন্দ্রের শীর্ষ প্রতিনিধিরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় মৎস্যমন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিংহ। বৈঠক শেষে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, বাংলায় মৎস্যক্ষেত্রের পরিকাঠামোগত আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে প্রাথমিক ধাপে ৯ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে।

নতুন প্রশাসনিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, মৎস্যজীবীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষায় ‘প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা’ সমগ্র রাজ্যে পূর্ণমাত্রায় কার্যকর হতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান, রাজ্যের প্রতিটি মৎস্যজীবী পরিবারকে এই রূপরেখার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং তাঁদের আধুনিক উপায়ে মাছ চাষের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সমুদ্র ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আনা হচ্ছে অত্যাধুনিক সুরক্ষা যন্ত্র বা ডিভাইস। একইসঙ্গে পুরুলিয়ার আদিবাসী মহাসম্মেলন থেকে কুড়মি সমাজের ওপর থাকা পূর্ববর্তী সমস্ত রাজনৈতিক মামলা একলহমায় প্রত্যাহারেরও মেগা আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

রিভিউ মিটিং শেষে কেন্দ্রীয় মৎস্যমন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিংহ বিগত প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে মৎস্যজীবীদের প্রকৃত অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিল। তবে নতুন প্রশাসনিক কাঠামো ক্ষমতায় আসার পরেই এই ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিয়ে ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের এই যৌথ উদ্যোগে প্রযুক্তিভিত্তিক মাছ চাষ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক ভিত আরও মজবুত হবে বলে আশাবাদী প্রশাসনিক মহল। মৎস্যজীবীদের জীবনযাত্রার মানবৃদ্ধি এবং সরাসরি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পৌঁছে দিতে আগামী দিনগুলিতে রাজ্যজুড়ে বিশেষ ক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনাও নিয়েছে মৎস্য দফতর।