রাইটার্স বিল্ডিং থেকে কুমোরটুলি, ইউনেস্কোর স্বীকৃতির পর বাংলার দুর্গোৎসবকে ঘিরে বড় পরিকল্পনা আদানি গোষ্ঠীর

রাজ্য রাশিফল

নিউজপোল ব্যুরো:   দুর্গাপুজো মানেই শুধু কয়েক দিনের উৎসব নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলার সংস্কৃতি, শিল্পকলা এবং দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করতে এবার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে আদানি গোষ্ঠী। মহালয়ার দিন ‘আদানি পুজো প্রিভিউ’-এর সূচনার মাধ্যমে বাংলার সাংস্কৃতিক জগতের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দিয়েছে সংস্থাটি।

ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্বীকৃতির পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার দুর্গোৎসবের পরিচিতি আরও বেড়েছে। এই আবহে শুধু পুজোর কয়েক দিনের প্রচারে সীমাবদ্ধ না থেকে সারা বছর ধরে শিল্প ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আর্ট ওয়ার্কশপ, পুজোর শিল্পকলা নিয়ে প্রশিক্ষণমূলক কোর্স এবং পারফর্মিং আর্টসের প্রসারের পাশাপাশি রাইটার্স বিল্ডিং ও কুমোরটুলি ঘাটের মতো ঐতিহাসিক স্থানগুলির পুনরুদ্ধারেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই কর্মসূচির দায়িত্বে রয়েছেন আদানি গোষ্ঠীর বাংলার প্রধান উপদেষ্টা তথা অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক সঞ্জয় খাড়ে।

তবে এই উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু ঐতিহ্য সংরক্ষণ নয়, উৎসবের আনন্দ সমাজের প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াও। ১০ থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহযোগিতায় দৃষ্টিহীন, অটিস্টিক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, আদিবাসী পড়ুয়া, গৃহহীন মানুষ এবং অন্যান্য প্রান্তিক গোষ্ঠীর সদস্যদের শহরের নামী পুজো মণ্ডপ ঘুরিয়ে দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি, ৩৫৬ জন শিশুকে ৫০০ টাকা করে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

বাংলার ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে একসূত্রে বেঁধে দুর্গোৎসবকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।