নিউজ পোল ব্যুরো: শনিবার ফের উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar Case) নির্যাতিতা কাণ্ডে ন্যায়বিচারের দাবিতে ‘নবান্ন চলো’ অভিযানে (Nabanna Abhijan) পথে নামে বিজেপি (BJP)। রাজপথে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা (Suvendu Adhikari)। পার্ক স্ট্রিট মোড়, জওহরলাল নেহরু রোড, হাওড়ার সাঁতরাগাছি— একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ, ব্যারিকেড ভাঙচুর ও পুলিশের লাঠিচার্জে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।
আরও পড়ুন: Indian Army: পুরনো অধ্যায় শেষ, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে পা! সেনার জন্য আসছে ২০০টি নতুন হেলিকপ্টার
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, পুলিশের আঘাতে শতাধিক বিজেপি (BJP) কর্মী আহত হয়েছেন। তার অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ মিছিলে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি নির্যাতিতার বাবা-মাও পুলিশের হাতে নিগৃহীত হয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ তোলেন। ডোরিনা ক্রসিং থেকে নিহত চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে পদযাত্রা শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পরে পার্ক স্ট্রিটে অবস্থানে বসেন তিনি, বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul) এবং অন্যান্য বিধায়কদের সঙ্গে।
শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কটাক্ষ, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) এর জবাব দিতেই হবে। গণআন্দোলন আটকানো যাবে না। এই আন্দোলন এখন থামবে না, বরং আরও বড় হবে।” তিনি আরও বলেন, “এই সরকার ভয় পাচ্ছে মানুষের ক্ষোভকে।” এদিকে হাওড়ার সাঁতরাগাছিতে (santragachi) বিক্ষোভকারীদের একটি বড় অংশ লোহার ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে। পুলিশের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তাঁরা ব্যারিকেড টপকাতে থাকেন। তাঁদের হাতে ছিল তেরঙ্গা, প্ল্যাকার্ড, ব্যানার। ‘ন্যায় চাই’, ‘নবান্ন চাই’ স্লোগানে মুখর হয় চারপাশ।
প্রশাসনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, নবান্নে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। বিকল্প আন্দোলনস্থল হিসেবে সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্ডের প্রস্তাব দেওয়া হলেও বিজেপি (BJP) তাতে রাজি হয়নি। তাদের স্পষ্ট বার্তা, একবছর কেটে গেলেও নির্যাতিতার ন্যায়বিচার মেলেনি। তাই এবার কোনও আপস নয়। নবান্ন অভিযান ঘিরে রাজ্য রাজনীতির উত্তাপ যে আগামী দিনে আরও বাড়বে, তা পরিষ্কার শুভেন্দুর হুঁশিয়ারিতেই। সরকার-পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
