নিউজপোল ব্যুরো: তন্ত্রসাধনা, না কি অন্ধবিশ্বাস? বাঁকুড়ার সোনামুখীতে এক ভয়াবহ ঘটনাকে ঘিরে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। স্ত্রী ও বাবাকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ উঠেছে মঙ্গল চৌধুরীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, স্ত্রীর মুণ্ড ধড় থেকে আলাদা করে মন্দিরে রেখে আসার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার নেপথ্যে তান্ত্রিকের কোনও প্ররোচনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনামুখী থানার সীমানাবর্তী দামোদর নদের চরে অবস্থিত লালবাবা মানাচর গ্রামের বাসিন্দা মঙ্গল চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী রূম্পা চৌধুরী। তাঁরা প্রায়ই স্থানীয় একটি মন্দিরে পুজো-অর্চনা করতেন। মাঝেমধ্যেই তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন এক তান্ত্রিক।
গতকাল রাতে ওই মন্দিরে রূম্পার কাটা মুণ্ড দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে মঙ্গলের বাবা রাজেন্দ্র চৌধুরীর গলা কাটা দেহও উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সোনামুখী থানার পুলিশ। দু’জনের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে তন্ত্রসাধনার যোগ থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
