নিউজপোল ব্যুরো: একের পর এক এনকাউন্টারের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য। গাইঘাটার ঘটনার পর এবার মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে পুলিশের গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডল খুনের মামলার মূল অভিযুক্ত সামাউন শেখের। পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য তাঁকে ধুলিয়ান ডাকবাংলো মোড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেই সময় পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। এরপর পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুজিত মণ্ডল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘিরেই এই মামলার সূত্রপাত। জানা গিয়েছে, গত ২৮ অগাস্ট থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ২ সেপ্টেম্বর ভাগীরথী নদীর ফিডার ক্যানেল থেকে তাঁর দেহাংশ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় সামাউন শেখকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। অভিযোগ, তাঁকে একটি ভাড়াবাড়িতে ডেকে নিয়ে খুনের পর দেহাংশ ক্যানেলে ফেলে দেওয়া হয়। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোয়। ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
মামলার তদন্তে প্রথমে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিজেপির পক্ষ থেকে গাফিলতির অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এরপর সামশেরগঞ্জ থানার আইসি ও তদন্তকারী আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয় এবং ফরাক্কার এসডিপিওকেও সরানো হয়। পরে তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডির হাতে।
সিআইডি আধিকারিকেরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময়ই গুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকা ঘিরে রাখা হয়। তদন্তের স্বার্থে পুরো ঘটনার ভিডিওগ্রাফি করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
