জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত একটি প্রতিবাদের সভায় উপস্থিত ছিলেন ইমরান খান। মার্কিন নাগরিক হয়েও ভারতে রাজনৈতিক বিক্ষোভে অংশ নিয়ে তিনি ‘ফরেনার্স অ্যাক্ট’ ভঙ্গ করেছেন।১০ অক্টোবর ক্রান্তি ময়দান থেকেই মুম্বাই পুলিশ তাঁকে আটক করে। ১৪ অক্টোবর দেশ ছাড়ার FRRO অভিনেতাকে ‘লিভ ইন্ডিয়া নোটিস’ পাঠায়।২৮অক্টোবরের মধ্যে দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা অভিনেতার।
অভিনেতা ইমরান খানের বিরুদ্ধে লিভ ইন্ডিয়া নোটিসের স্থগিতাদেশ দেন বম্বে হাইকোর্ট। সোমবার এই মামলার শুনানি থাকলেও বিচার বিভাগীয় বেঞ্চ শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।২ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
আইনি সংবাদমাধ্যম ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি মহেশ চন্দ্র ত্রিপাঠী এবং বিচারপতি অদ্বৈত শেঠনার ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি চলছিল। এই মামলায় কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করার দায়িত্বে ছিলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।সলিসিটর জেনারেল আদালতের কাছে পরবর্তী সোমবার পর্যন্ত সময় চেয়ে নেন। ইমরানের আইনজীবী জানান, তাড়াতাড়ি শুনানি হওয়া জরুরি। কারণ, ২৮ অক্টোবরই ইমরানকে দেশ ছাড়তে হবে।
কেন্দ্রের শীর্ষ আইন কর্মকর্তারা মৌখিক আশ্বাসে দেন নোটিসের মেয়াদ থাকলেও আপাতত কোনও পদক্ষেপ করা হবে না।
