নিউজপোল ব্যুরো: উৎসবের আনন্দ সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে যখন সমান হয় তখন সেই আনন্দ মহোৎসবে পরিণত হয়। কালীপুজোয় সেই মানবিকতার বার্তাই তুলে ধরতে চলেছে মধ্যমগ্রাম ও বারাকপুরের পুজো উদ্যোক্তারা। একদিকে লক্ষাধিক মানুষের জন্য বিনামূল্যে অন্নভোগ, অন্যদিকে প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষমদের ঠাকুর দেখানোর বিশেষ উদ্যোগ। সঙ্গে থাকছে অভিনব থিমের চমক। সব মিলিয়ে এ বারের কালীপুজোয় নজর কাড়তে প্রস্তুত দুই এলাকার পুজো কমিটিগুলি।
মধ্যমগ্রামের ইয়ং রিক্রিয়েশন ক্লাবের ৩৯তম বর্ষের পুজোয় আগামী ৭ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার মানুষের জন্য বিনামূল্যে অন্নভোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাঁচ দিনে মোট ১ লক্ষ ২৫ হাজার মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত মিলবে খাবার ও প্রসাদ। প্রবেশপথে থাকবে পানীয় জলের বোতল।
প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য থাকছে হুইলচেয়ার। স্বেচ্ছাসেবকরা তাঁদের ঠাকুর দেখানো থেকে প্রসাদ খাওয়ানো এবং গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব সামলাবেন। ভিড় সামলাতে পৃথক প্রবেশ ও প্রস্থান পথের পাশাপাশি প্রায় ৫০০ গাড়ির পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
এ বারের থিম ‘শান্তির পথে’। গৌতম বুদ্ধের দর্শনকে সামনে রেখে তৈরি হচ্ছে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাইয়ের বিখ্যাত ‘হোয়াইট ক্যাসেল’ বৌদ্ধ মন্দিরের আদলে মণ্ডপ।
অন্যদিকে, বটতলা স্পোর্টিং ক্লাবের ৬৮তম বর্ষের থিম ‘যুগান্তর’। প্রযুক্তির বিস্তারে হারিয়ে যেতে বসা শৈশব, মাঠের খেলা ও পুরনো দিনের স্মৃতি ফুটে উঠবে মণ্ডপে। দুই পুজোরই উদ্বোধন আগামী ৭ তারিখ।
