নিউজ পোল ব্যুরো: আন্তর্জাতিক মঞ্চে আবার উত্তেজনার সুর, ব্রিকসের দিকে রক্তচক্ষু ট্রাম্পের (Donald Trump)। বৈশ্বিক রাজনীতির উত্তপ্ত আবহে ফের আলোচনার কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিকস (BRICKS)। ব্রিকস সম্মেলনের সূচনা হতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে এক বিস্ফোরক বার্তা দিয়ে জানালেন, “যেসব দেশ ব্রিকসের ‘অ্যান্টি-আমেরিকান’ নীতিতে সায় দেবে, তাদের উপরে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত ট্যারিফ (Tarrif) চাপানো হবে। কোনও ছাড় নয়।”
আরও পড়ুন: Rajanya Halder: নেতৃত্ব, নাটক না নিঃস্বার্থতা? রাজন্যার অভিযোগ ঘিরে উত্তাল তৃণমূল অন্দরমহল
এই মন্তব্যের পরপরই আন্তর্জাতিক মহলে বাড়ছে উদ্বেগ ও জল্পনা। ট্রাম্প (Donald Trump) এর আগেও মার্কিন অর্থনীতি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার নাম করে একাধিক দেশে ট্যারিফ (Tarrif) বসানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে এবারের বার্তা আরও স্পষ্ট এবং লক্ষ্যভেদী—ব্রিকসের (BRICS) সম্ভাব্য মার্কিন-বিরোধী অবস্থানকে কেন্দ্র করে।বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ভারসাম্য এক নতুন রূপ নিচ্ছে। একদিকে ব্রিকস সদস্য রাষ্ট্রগুলো—ভারত (India), রাশিয়া (Russia), চিন (China), ব্রাজিল (Brazil) ও দক্ষিণ আফ্রিকা মার্কিন ডলারের বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করছে, অন্যদিকে ট্রাম্প তা দেখছেন জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক আধিপত্যের চ্যালেঞ্জ হিসেবে।
সূত্রের খবর, শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্র ব্রিকস সংশ্লিষ্ট বা ঘনিষ্ঠ একাধিক দেশকে ট্যারিফ সংক্রান্ত চিঠি পাঠাবে। আগে ঘোষিত ৯০ দিনের ট্যারিফ স্থগিতাদেশ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। যদিও এখনো পর্যন্ত ট্রাম্প স্পষ্ট করেননি, ‘অ্যান্টি-আমেরিকান’ নীতির মাপকাঠি কী হবে।বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরণের হুমকি শুধু বাণিজ্যিক নয়, বরং কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল। ব্রিকস যে আমেরিকার একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
