নিউজ পোল ব্যুরো: সন্ত্রাস দমনে (Pahalgam Attack) আন্তর্জাতিক স্তরে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার এক অনন্য নজির গড়ল ভারত ও আমেরিকা (India-America)। যেখানে ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ বা TRF-কে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করল ট্রাম্প প্রশাসন (Trump Government)। এই সিদ্ধান্তে যেমন ভারতের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতিফলন ঘটেছে, তেমনই কূটনৈতিক ময়দানে পাকিস্তানের মুখ পুড়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুন: Rahul Gandhi: কাশ্মীরকে ফেরানো হোক হৃত মর্যাদা, বাদল অধিবেশনের আগেই মোদীকে রাহুলের খোলা চিঠি
জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) পহেলগাঁওয়ে রক্তক্ষয়ী হামলার পরে ২৬ জনের প্রাণহানিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া ছড়ায় গোটা দেশজুড়ে। সেই হামলার দায় প্রথমে স্বীকার করে TRF। লস্কর-ই-তইবার ছায়া সংগঠন হিসেবে পরিচিত এই গোষ্ঠী। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তারা দায় অস্বীকার করে, যা তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত করে। কাশ্মীর উপত্যকায় পাকিস্তানের মদতপুষ্ট ষড়যন্ত্রের প্রমাণ খুঁজে পান গোয়েন্দারা। সবটাই ছিল সুপরিকল্পিত এবং প্ররোচনামূলক। এই প্রেক্ষাপটে, আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসন TRF-কে FTO (Foreign Terrorist Organization) এবং SDGT (Specially Designated Global Terrorist) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা করে। জাতীয় সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ, এমনটাই জানায় মার্কিন বিদেশ দফতর।
ভারতের প্রতিক্রিয়াও ছিল স্পষ্ট ও কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) এক্স হ্যান্ডেলে স্পষ্ট লেখেন, “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত-আমেরিকার (India-America) যৌথ প্রতিজ্ঞার আরেকটি প্রমাণ। মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপ প্রশংসনীয় ও সময়োপযোগী।” ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকেও একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে মার্কিন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়। বলা হয়, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াইয়ে ভারত সবসময় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পক্ষে। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ যদিও পহেলগাঁওয়ের হামলার নিন্দা করেছে। তবে এই নিন্দাপ্রস্তাবে TRF-এর নাম উল্লেখ হয়নি। পাকিস্তান ও চিনের (Pakistan-China) প্রবল আপত্তির ফলেই এটি হয়েছে, দাবি কূটনৈতিক মহলের।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
